দুরন্ত প্রতিবেদন: ‘বন্যপ্রাণীরা পর্যটনের উপাদান হতে পারে না। বরঞ্চ তাদেরকে সংরক্ষিত করে রাখাটাই গুরুত্বপূর্ণ। বরং এদের সামনে রেখে কিভাবে পর্যটনেরও কিছুটা সুবিধা আমরা তুলতে পারি—সেটা আমরা দেখব।’— বিশ্ব ব্যাঘ্র দিবসে বাংলার পর্যটন মন্ত্রী ড. শঙ্কর ঘোষের এই বক্তব্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
দার্জিলিঙের পর সুন্দরবনকে যখন বিশ্ব পর্যটন মানচিত্রে তুলে ধরার পরিকল্পনা নিতে চলেছে রাজ্য সরকার এবং সুন্দরবনকে কেন্দ্র করে পরিবেশবান্ধব পর্যটনের পরিকল্পনাও করা হচ্ছে, ঠিক সেই সময়েই পর্যটনমন্ত্রীর এমন মন্তব্য বন্যপ্রাণীর প্রতি গভীর অনুভূতির বার্তা বহন করে।

নতুন সরকার মনে করছে সুন্দরবনকে ঘিরে ব্যাপক পর্যটন সম্ভাবনা রয়েছে। যার মধ্যে দিয়ে ম্যানগ্রোভ অঞ্চলের মানুষের অর্থনৈতিক মানোন্নয়নও নিশ্চিত করা যাবে। কিন্তু এসবের মধ্যেই আবার লুকিয়ে আছে বন্যপ্রাণীর অধিকার থেকে বাঘ সংরক্ষণের মতো বিষয়। বুধবার আন্তর্জাতিক ব্যাঘ্র দিবসে সেই প্রশ্নের মুখোমুখি হয়ে রাজ্যের পর্যটন মন্ত্রী এই মন্তব্য করেছেন। বললেন,‘সুন্দরবনের প্রাকৃতিক আকর্ষণের মূলে রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার থাকলেও,
‘বন্যপ্রাণীরা পর্যটনের উপাদান হতে পারে না। বরঞ্চ তাদেরকে সংরক্ষিত করে রাখাটাই গুরুত্বপূর্ণ এবং তাকে সামনে রেখে কীভাবে পর্যটনেরও কিছুটা সুবিধা আমরা তুলতে পারি সেটা আমরা দেখব।’ - ড. শঙ্কর ঘোষ
বাঘ বা অন্য কোনও বন্যপ্রাণীকে শুধুমাত্র পর্যটকদের মনোরঞ্জনের বস্তু বা পর্যটনের সাধারণ উপাদান হিসেবে দেখা ভুল৷ সেটা করা হবে না। পর্যটনের মধ্যে বাঘের বিষয় থাকবে৷ কিন্তু বন্যপ্রাণীদেরকে পর্যটনের অংশ হিসেবে দেখানো এবং বাঘের মতন বিপন্নপ্রায় প্রাণীকে সংরক্ষিত করে রাখা— এর মধ্যে ভারসাম্য রাখা ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। অর্থাৎ বন্যপ্রাণীরা পর্যটনের উপাদান হতে পারে না। বরঞ্চ তাদেরকে সংরক্ষিত করে রাখাটাই গুরুত্বপূর্ণ এবং তাকে সামনে রেখে কীভাবে পর্যটনেরও কিছুটা সুবিধা আমরা তুলতে পারি সেটা আমরা দেখব।’













