দুরন্ত প্রতিবেদন : মোদীর ‘দিমাগী নকশাল’ দমন নিয়ে বিতর্কের মাঝেই বিজেপির বিরুদ্ধে নয়া কৌশল নিল সিপিআই (এমএল) নিউ ডেমোক্রেসি। বামপন্থী কিংবা ডানপন্থীর ঘেরাটোপ ভুলে নতুন পথে লড়াইয়ের ডাক দিলেন সংগঠনের মুখপাত্র চন্দন প্রামাণিক। রবিবার শিলিগুড়ির জিটিএস ক্লাবের সভাকক্ষে নিভৃতে কনভেনশন করেছেন নকশালপন্থী সিপিআই (এমএল) নিউ ডেমোক্রেসির নেতারা। সেখানে দেশেরর পাশাপাশি রাজ্যের কঠিন পরিস্থিতির কথা আলোচনা হয়েছে। তারপরেই উত্তরণের পথ খোঁজা হয়েছে সেখানে। যেভাবে তৃণমূল পরাজিত হবার সঙ্গে সঙ্গে কার্যত নিশ্চিহ্ন হয়ে পড়েছে, সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে সাধারণ মানুষ আরও বেশি অসহায়। কারণ নতুন পরিস্থিতি থেকে বাঁচার জন্য কারও আশ্রয় পাওয়া দুরূহ হয়ে পড়ছে। এই জায়গাটিই নেবার কৌশল নিচ্ছেন নকশাল নেতারা। সিপিআই (এমএল) নিউ ডেমোক্রেসির রাজ্য মুখপাত্র চন্দন প্রামাণিক জানান,‘আমরা এবারে বামপন্থী কিংবা ডানপন্থী, এই সংকীর্ণতা কাটিয়ে উঠতে চাইছি। বরং আমরা চাইছি সব দলে থাকা মানুষ, যারা সরকারের বিভিন্ন আক্রমণের মুখে পড়ছেন, ভুক্তভোগী হচ্ছেন, তাঁদের সকলকেই লড়াইয়ে শামিল করতে চাইছি। কোনো সংকীর্ণতা নয়। সম্প্রতি দিল্লির আন্দোলনের পরই কলকাতায় যে মিছিল হয়েছিল, ৫০হাজার ছাত্র যুবর মিছিল, পশ্চিমবঙ্গের ছাত্র আন্দোলনের ইতিহাসে দেখা যায়নি। ফলে সেই সম্মিলিত আন্দোলনের পট আমরা তৈরি করব।’ অর্থ্যাৎ শুধুমাত্র বাম মনোভাবাপন্নদের নিয়ে আন্দোলন নয় এখন। শাসকের নিপীড়ন বাম ছাড়িয়ে সর্বত্র বিস্তৃত হয়েছে। কেন্দ্রের নীতির ভোগান্তি প্রত্যেক নাগরিককে ভুগতে হচ্ছে। ফলে আন্দোলন আর শুধু বামেদের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে যে চলবে না, সেই কথা পরিষ্কার বুঝতে পেরেই নতুন পন্থা অবলম্বন করা হচ্ছে। তাঁরা সকলকে আহ্বান করছেন, বিপ্লবী বামপন্থার পুনর্জাগরণের জন্য ঐক্যবদ্ধ হতে। চাইছেন জনজীবনের প্রতিটি সমস্যা নিয়ে তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলতে। শুধুমাত্র সংসদীয় লড়াইয়ে যে আর হবে না সেটা নিশ্চিত। তাই রাস্তায় নামার ডাক।

তৃণমূল নিয়ে এই নকশাল নেতাদের পরিষ্কার বক্তব্য,‘সব তৃণমূল খারাপ ছিল না। তাদের মধ্যেও অনেকে অত্যাচারিত। আজও অত্যাচারিত হচ্ছে। আমরা সেইসব মানুষদের আহ্বান করছি, আসুন লড়াইয়ের রাস্তায় আসুন। নইলে বাংলার এই দুর্দিন দূর করা যাবে না। সর্বনাশ হয়ে যাবে।’
শাসকের নিপীড়ন বাম ছাড়িয়ে সর্বত্র বিস্তৃত হয়েছে। কেন্দ্রের নীতির ভোগান্তি প্রত্যেক নাগরিককে ভুগতে হচ্ছে। ফলে আন্দোলন আর শুধু বামেদের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে যে চলবে না, সেই কথা পরিষ্কার বুঝতে পেরেই নতুন পন্থা অবলম্বন করা হচ্ছে। তাঁরা সকলকে আহ্বান করছেন, বিপ্লবী বামপন্থার পুনর্জাগরণের জন্য ঐক্যবদ্ধ হতে। চাইছেন জনজীবনের প্রতিটি সমস্যা নিয়ে তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলতে।
সোমবার শিলিগুড়ি জার্নালিস্টস ক্লাবে নিজেদের আন্দোলনের পরিকল্পনা জানাতে চন্দন প্রামাণিক ছাড়াও হাজির হয়েছিলেন পরান চন্দ, আনোয়ার হালদার ও মহম্মদ আমির।












