দুরন্ত প্রতিবেদন : শৈলশহর দার্জিলিঙে আবার উঠল গোর্খাল্যান্ডের স্লোগান। রেলওয়ে স্টেশন থেকে মিছিলও হল গোর্খাল্যান্ডের দাবিতে। সঙ্গে হুঁশিয়ারী দেওয়া হল, দাবি পূরণ না হলে আরও বড় আন্দোলনের পথে তাঁরা যাবেন। এক সময় গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার নেতারা এখন গুরুংদের থেকে সরে এসে এই আন্দোলন শুরু করলেন। আবার কি তবে অশান্তির কালো মেঘ ঘনীভূত হবে ?

পাহাড় গোর্খাল্যান্ড থেকে সরে উন্নয়নের দাবিতে আন্দোলন করতে শুরু করেছিল। এমনকি একসময় যারা গোর্খাল্যান্ডের দাবিতেই অনড় ছিলেন, তারাও ওই দাবি আলগোছে রেখে উন্নয়ন নিয়ে কথা বলতে শুরু করেছিলেন। বিমল গুরুং পর্যন্ত উন্নয়নের রাজনীতিতে পা রাখার পথে হাঁটতে শুরু করেছিলেন। সেই দার্জিলিং পাহাড়ে আবারও নতুন করে পৃথক রাজ্যের দাবিতে আওয়াজ উঠল। গোর্খাল্যান্ডের দাবিতে সংকল্প যাত্রা করলেন। দার্জিলিং রেলওয়ে স্টেশন থেকে এই মিছিল পৌঁছল ডিজিএনএস হল পর্যন্ত। শুধু আজই নয়, এদিনের সংকল্প যাত্রার পর তাঁরা আগামী ২০ আগস্টে মিরিকে আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করে দিয়েছেন। এই আন্দোলনের মাথায় যারা রয়েছেন অর্থ্যাৎ সঞ্জয় থুলুং, তিলক ছেত্রি, সিদ্ধান্ত রাই সকলেই গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার প্রথম সারির নেতা ছিলেন। ধীরে ধীরে এরা গুরুংয়ের দল থেকে সরে এসেছেন। এতদিন তাঁরা চুপ থাকলেও এবারে নিজেরাই আলাদা মঞ্চ তৈরি করে গোর্খাল্যান্ডের জন্য আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা করে দিয়েছেন।

এদিন সঞ্জয় থুলুং পরিস্কার জানিয়ে দিয়েছেন,‘পাহাড়ের মানুষ জিটিএ চায় না। অন্য কোনও স্বশাসিত সংস্থাও চায় না। আমাদের একটাই দাবি গোর্খাল্যান্ড।’
অন্যদিকে কার্শিয়াঙেও নতুন করে গোর্খাল্যান্ড আন্দোলনে শান দিলেন খোদ বিজিপিএম নেতা (ভারতীয় গোর্খা প্রজাতান্ত্রিক মোর্চা) অনীত থাপা। যিনি প্রথম পাহাড়ে উন্নয়নের রাজনীতির পক্ষে সওয়াল করে সেই পথেই অনেক পথ হেঁটেছেন। সেই তিনি নতুন করে গোর্খাল্যান্ডের এজেন্ডাকে আবার ট্রাঙ্ক খুলে বের করলেন কার্শিয়াঙে। ফলে পাহাড়ের রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবার কোন্পথে এগোবে সেটা ঠাহর করা যাচ্ছে না।












