দুরন্ত প্রতিবেদন : শিলিগুড়ির তৃণমূল কাউন্সিলর শিবিকা মিত্তাল, অভয়া বসু, দিলীপ বর্মন, রাজেশ প্রসাদ শাহ এবং কমল আগরওয়াল নিজেদের ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদ থেকেই ইস্তফার কথা ঘোষণা করেছেন। মানিক দে ওয়ার্ডের মানুষের রায় নিয়ে সেই পথেই এগোতে চান। কিন্তু ওয়ার্ডবাসী অনুমতি না দিলে কাউন্সিলর পদে থাকবেন। সোমবার আরও কয়েকজন ইস্তফা দিতে পারেন।

শিলিগুড়ি পুরনিগমে তৃণমূলের ডেপুটি মেয়র রঞ্জন সরকার যখন নতুন করে বোর্ড গড়ার ব্লুপ্রিন্ট তৈরি করছেন, সেই সময় কাউন্সিলর পদ থেকেই পদত্যাগ করার অর্থ রঞ্জনে অনাস্থা। অর্থ্যাৎ যে বোর্ডে গৌতম দেব থাকতে পারলেন না, সেখানে নতুন করে বোর্ড গড়লেও তার ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কিত ওই কাউন্সিলররা। ফলে নতুন কোনও ঝঞ্ঝাট তৈরি না করে তৃণমূলের কিছু কাউন্সিলর সরকারের সিদ্ধান্তের ওপর সমস্ত ছেড়ে দিতে চাইছিলেন।



কিন্তু বাকি তৃণমূল কাউন্সিলররা রঞ্জন সরকারকে মেয়র ও সঞ্জয় পাঠককে ডেপুটি মেয়র হিসেবে তুলে ধরে রাজ্যকে প্রস্তাব পাঠাতে চাইছেন। কারণ তাঁরা এখনও সংখ্যাগরিষ্ঠ। সেটা বিজেপি সরকার মানবে কিনা সেই চিন্তাভাবনা না করে একটা চেষ্টা করতে চাইছেন। আর এখান থেকেই শিলিগুড়ি পুরনিগমের তৃণমূলের মধ্যে দুইটি ভাগ স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। যে কারণে রঞ্জনের রণকৌশলে যারা নেই, তাঁরা কেউ ইস্তফা এবং কেউ নানা বাহানায় আপাতত দূরে থাকার চেষ্টা করছেন। ফলে এমন একটা পরিস্থিতিতে সোমবার রঞ্জন সরকার ও কুন্তল রায় রাজ্যকে এমন প্রস্তাব পাঠাবেন নাকি তাঁরাও রণে ভঙ্গ দেবেন, সেটাই এখন দেখার।














