রাজনীতি, শিলিগুড়ি

‌সঞ্জয়কে ডেপুটি প্রস্তাবেই দ্বিধাবিভক্ত তৃণমূল !‌

জুন 22, 2026

দুরন্ত প্রতিবেদন :‌ মেয়র গৌতম দেব যে ১০ জনের টিম তৈরি করেছিলেন পুরনিগম পরিচালনা করতে, সেখানে অনেক অভীজ্ঞ ও প্রবীণ কাউন্সিলরদের পরিবর্তে জায়গা পেয়েছিলেন নতুনরা। তা নিয়ে মান অভিমান চলেছে অনেকদিন। ক্ষোভও ছিল। কিন্তু গৌতম দেব শক্তহাতে সমস্ত নিয়ন্ত্রণে রেখেছিলেন। সেই টিমে জায়গা পাননি প্রাক্তন মেয়র পারিষদ সঞ্জয় পাঠক, প্রাক্তন ডেপুটি মেয়র রঞ্জন শীলশর্মা। আবার বোর্ডের শেষ বেলায় এসে সেই সঞ্জয় পাঠককেই আচমকা মেয়র পারিষদ পদে বসানোতেও অনেকে অবাক হয়েছিলেন। তখনও ক্ষোভ ছিল। কিন্তু প্রকাশ করেননি অনেকে। কিন্তু গৌতম দেব পদত্যাগের পর রঞ্জন সরকারকে মেয়র ধরে নতুন বোর্ড গঠনের পরিকল্পনায় ডেপুটির চেয়ারে সঞ্জয় পাঠকের নাম প্রস্তাবের পরই পুঞ্জীভূত ক্ষোভ বিদ্রোহের জন্ম দেয়। এক গুরুত্বপূর্ণ মেয়র পারিষদ তো জানিয়েই দেন, বিগত ৪ বছরে সঞ্জয় পাঠকের ভূমিকা কী ছিল সেটা জানার পরও যদি তাঁকে ডেপুটির চেয়ারে ভাবা হয়, তাহলে সেই বোর্ডের অংশীদার হতে চাই না।


মনে করা হচ্ছে, রঞ্জন সরকার ও কুন্তল রায় আগামী ৮ মাস বোর্ড গড়ে পুরনিগম চালানোর পরিকল্পনা করলেও নিজেদের মধ্যেই যে অনৈক্য তৈরি হয়েছে, তার কারণ ‘‌সঞ্জয় পাঠক’‌। তবে হাতে গোনা কয়েকজন আবার রঞ্জন বিরোধী। তাঁরা রঞ্জন সরকারকেই মেয়র হিসেবে দেখতে নারাজ। ফলে শিলিগুড়ি পুরনিগমে ৩৭ জন তৃণমূল কাউন্সিলরকে একসুতোয় বেঁধে রাখা সম্ভব হয়নি। ৩৭ জনের মধ্যে আপাতত ৩০ জন একদিকে টিঁকে থাকলেও সেখানেও নতুন বোর্ডের প্রস্তাবে সবাই স্বাক্ষর করবেন না বলেই খবর। সব মিলিয়ে রঞ্জন সরকার ও কুন্তল রায় শিলিগুড়িতে তৃণমূল পুরবোর্ডের নতুন জন্ম দেবার চেষ্টা করলেও সেটি সফল হবে বলে মনে হচ্ছে না।
বরং মঙ্গলবার থেকে প্রশাসক বসার সম্ভাবনাই বেশি জোরালো হয়ে উঠেছে।

Leave the first comment