দুরন্ত প্রতিবেদন: ‘‘ঘাসফুল হোক কিংবা পদ্মফুল, কোনও ফুলেরই ফর্মূলা এবার খাটবে না। শিলিগুড়িতে এবার জিতবে জয়ই (শরদিন্দু চক্রবর্তী)।’’– গলা উঁচু করে জানিয়ে দিলেন শিলিগুড়ির প্রবীণ সিপিএম নেতা অশোক ভট্টাচার্য। তৃণমূল প্রার্থী গৌতম দেব এবারে প্রচারের শেষদিনে শিলিগুড়ি মডেলে ভোটের আবেদন জানিয়েছেন। বিজেপিকে পরাস্ত করতে সব দলের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষকে রাজনীতির উর্ধ্বে উঠে তৃণমূলকে ভোট দিতে আহ্বান করেছেন। গৌতম দেবের বক্তব্য, বিজেপি যেভাবে ভাষা সন্ত্রাস ও মেরুকরণের রাজনীতি করছে, সেখানে দাঁড়িয়ে এমন ভয়ঙ্কর দলকে পুরোদমে উৎখাত করে দিতে হবে। তার জন্য সব মানুষকে জোটবদ্ধ হয়ে ভোট দিতে হবে। অনেকটা অশোক ফর্মূলায় তৈরি ‘শিলিগুড়ি মডেল’-এর ধাঁচে।

জেতার মতো জায়গায় আছেন একমাত্র শরদিন্দু চক্রবর্তী। তৃণমূল ও বিজেপিকে নিজেদের দলের লোকই ভোট দেবে না। কারণ ওদের দলের বড় বড় নেতারা এসে প্রতিশ্রুতির নামে জুমলা করছে। বড় বড় হোটেলে থাকছে। তারপর বড় বড় ব্যবসায়ীদের ডেকে নিচ্ছে । মানুষের কোনও স্বার্থ দেখছে না। এদের পরাস্ত করতে বিকল্প শক্তি হিসেবে বামেদেরকেই আনতে হবে।— অশোক ভট্টাচার্য
আমরা যাকে ‘শিলিগুড়ি মডেল-২’ নামে অভিহিত করেছি। কিন্তু গৌতম দেবের এই আবেদনকে গুরুত্ব দিতে নারাজ অশোক। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন,‘বামপন্থীদের ভোট বামপ্রার্থীই পাবেন। বরং তৃণমূল ও বিজেপির যারা শিলিগুড়ির প্রকৃত উন্নয়ন চান তাঁদের সবাইকে বামেদের জয়ী করার জন্য ভোট দিতে বলেছি। গৌতমকে ভোট দেবার মানেই হয় না। উনি তো এমনিতেই হেরে বসে আছেন। বলছেন ৫০ হাজার কর্মীকে নিয়ে শহরজুড়ে নিরাপত্তা দেবেন। আসলে হতাশা থেকে এসব উচ্চারণ করছেন। জেতার মতো জায়গায় আছেন একমাত্র শরদিন্দু চক্রবর্তী। তৃণমূল ও বিজেপিকে নিজেদের দলের লোকই ভোট দেবে না। কারণ ওদের দলের বড় বড় নেতারা এসে প্রতিশ্রুতির নামে জুমলা করছে। বড় বড় হোটেলে থাকছে। তারপর বড় বড় ব্যবসায়ীদের ডেকে নিচ্ছে । মানুষের কোনও স্বার্থ দেখছে না। এদের পরাস্ত করতে বিকল্প শক্তি হিসেবে বামেদেরকেই আনতে হবে।












