দুরন্ত প্রতিবেদন
শিলিগুড়ি রেগুলেটেড মার্কেট। উত্তর-পূর্ব ভারতের বৃহত্তম নিয়ন্ত্রিত বাজার। এখানে গোটা দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসে কাঁচামাল। সেই রসদ উত্তরবঙ্গের প্রতিটি জেলা তো বটেই, নেপাল, সিকিম, অসম থেকে বিভিন্ন পাহাড়ি এলাকায় পৌঁছায়। শিলিগুড়ির এই নিয়ন্ত্রিত বাজার থেকে রোজ ন্যুনতম ১০ কোটি টাকার কেনাবেচা চলে। বিভিন্ন গাড়িতে মালপত্র ওঠানো নামানোর জন্য নথিভূক্ত শ্রমিকের সংখ্যাই ৩ হাজারের ওপরে। একদিন এই বাজার বন্ধ থাকলে শিলিগুড়ি শহর তো বটেই গোটা পাহাড় অচল হয়ে পড়বে। অথচ উত্তর পূর্ব ভারতের সেই গুরুত্বপূর্ণ মার্কেটে এত শ্রমিক কর্মচারিদের জন্য না আছে টয়লেটের সুব্যবস্থা, না আছে বিশ্রামাগার, না আছে নোংরা আবর্জনা সাফাইয়ের সঠিক বন্দোবস্ত। পরিস্থিতি এতটাই খারাপ হয়ে পড়েছে যে হাল ফেরাতে শেষমেষ মাঠে নামতে হয়েছে তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠনকে। আইএনটিটিইউসি’র দার্জিলিং জেলা সভাপতি নির্জল দে জানান,‘আমরা রেগুলেটেড মার্কেট পার্মানেন্ট টেম্পরারি গদি ওয়ার্কার্স অ্যান্ড লেবার ইউনিয়নের তরফে নিয়ন্ত্রিত বাজার কমিটির সচিবের কাছে ৮ দফা দাবিপত্র পেশ করেছি। নিয়ন্ত্রিত বাজারের সচিব তমাল দাস আমাদের কোনও দাবিকেই অগ্রাহ্য করেননি। তবে তিনি জঞ্জাল সাফাই নিয়ে নিজেও চিন্তিত। আমরা চাইছি সকলে মিলে পরিস্থিতি বদলে নিয়ন্ত্রিত বাজারের পরিকাঠামো ঠিক করতে।’ নিয়ন্ত্রিত বাজার কমিটির তরফে জানানো হয়েছে, এতদিন নিয়ন্ত্রিত বাজার সাফাইয়ের দায়িত্ব ছিল পুরনিগমের কাঁধে। তার বিনিময়ে প্রতিমাসে ৮০ হাজার টাকা করে ফি দিতে হতো। কিন্তু সম্প্রতি সেই ফি কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেওয়ায় সেটা মেটানো কঠিন হয়ে পড়েছে। ফলে জঞ্জাল সাফাইও ঠিকঠাক হচ্ছে না। এই সমস্যা মেটানো প্রয়োজন সবার আগে। শ্রমিক সংগঠনের তরফেও উদ্যোগ নেবেন বলে জানিয়েছেন নির্জল দে।













