দুরন্ত প্রতিবেদন: একদিকে গোটা শিলিগুড়ি শহরে অভিযান চালাচ্ছে খাদ্য সুরক্ষা দপ্তর ও পুরিনিগম। অন্যদিকে শিলিগুড়ির শহর থেকে গ্রামে ট্যাবলো ছুটিয়ে মানুষকে সচেতন করে চলেছে শিলিগুড়ি ক্রেতা সুরক্ষা দপ্তর। উদ্দেশ্য একটাই ক্রেতা যাতে না ঠকেন। শিলিগুড়ির সর্বত্র গজিয়ে ওঠা ছোটবড় রেস্তোঁরা থেকে ফুটপাতের দোকানে যেভাবে অপরিচ্ছন্নভাবে খাবার তৈরি করে বিক্রি হচ্ছে, সেটা বন্ধ করে একটা নিয়মে আনতে সচেষ্ট খাদ্য সুরক্ষা দপ্তর। অন্যদিকে কেউ কিছু কেনার পর যদি মনে হয়, সেই ক্রেতাকে ওজনে কিংবা মানে ঠকানো হয়েছে, তবে পাশে থাকবে ক্রেতা সুরক্ষা দপ্তর। আপনার কাছে পণ্য কেনার সঠিক রসিদ থাকলে আপনি অভিযোগ জানাতে পারেন ক্রেতা সুরক্ষা আদালতে।


সেখানে আপনার জন্য সরকারি তরফেই উকিল ঠিক করে দেওয়া হবে। পাইয়ে দেওয়া হবে বিচার। আর এই কথাগুলি এবং কী কী বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে, সমস্ত গ্রামগঞ্জ থেকে শহরের মানুষকে বোঝাতে রীতিমত ট্যাবলো বের করেছে শিলিগুড়ি ক্রেতা সুরক্ষা দপ্তর। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের শিলিগুড়ি উপভোক্তা বিষয়ক দপ্তর তথা ক্রেতা সুরক্ষা দপ্তরের পক্ষ থেকে ক্রেতাদের সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যেই ট্যাবলোর মাধ্যমে প্রচার করা হয়েছে ১৩ মে থেকে ২২ মে পর্যন্ত। ১০ দিন যাবত এই প্রচার কাজ চলেছে শিলিগুড়ি মহকুমার ৪টি ব্লক ও শিলিগুড়ি মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের বিভিন্ন এলাকায়। পণ্য কিনে ঠকে গেলে কীভাবে তার প্রতিকার পাওয়া যায় সেটা জনগণের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়াই মূল উদ্দেশ্য। শিলিগুড়ি উপভোক্তা বিষয়ক দপ্তরের সহ অধিকর্তা রাহুল দেব অধিকারী জানান যে, ট্যাবলো ছাড়াও বিভিন্ন সচেতনতা শিবির, পথনাটক, কথা বলা পুতুল, ভাওয়াইয়া সংগীতের মাধ্যমে সারা বছর উপভোক্তা সুরক্ষা সচেতনতায় প্রচার চালানো হয়।















