দুরন্ত প্রতিবেদন: শিলিগুড়ি বিধান মার্কেটের রাশ থাকল দেবব্রত সাহা অর্থ্যাৎ বাপি সাহার হাতেই। বিধান মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির নির্বাচনে বাপি সাহার প্যানেল থেকেই ১৭ জন নির্বাচিত হলেন। বিরোধী অর্থ্যাৎ সুব্রত সাহার (কালা) প্যানেল থেকে মাত্র ৪ জন নির্বাচিত হতে পেরেছেন। ফলে ২১ জনের যে নতুন কমিটি তৈরি হবে, সেখানে বাপি সাহার আধিপত্যই থাকবে বেশি। বাপি নিজে সর্বোচ্চ ভোট পেয়েছেন। ১১২৪। দ্বিতীয় স্থানে আছেন তাঁরই প্যানেলের রাজু সাহা (হেন্ডি)। তাঁর প্রাপ্ত ভোট ১১০৭। আর বিরোধী প্যানেলের ক্যাপ্টেন যিনি, সেই সুব্রত সাহা (কালা) ৯৮৩ ভোট পেয়ে তৃতীয় স্থানে জায়গা করে নিয়েছেন।
মজার কথা হল, দেবব্রত সাহা ও সুব্রত সাহা সম্পর্কে দাদা-ভাই। সুব্রত দাদা, দেবব্রত ভাই। এবারে কার্যত দুই ভাইয়ের লড়াই হয়েছে বিধান মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির নির্বাচন ঘিরে। আর লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত দাদাকে হারিয়ে ভাইয়ের প্যানেল সংখ্যাধিক্য পেয়েছে। উল্লেখ্য, ১৯৮৩ সাল থেকে নির্বাচনের মধ্যে দিয়ে বিধান মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতি গঠিত হয়ে আসছে। এবারে মার্কেটে মোট ভোটার ছিল ১৭১১টি। এর মধ্যে ভোট পড়েছে ১৪৮০টি। প্রদত্ত ভোটের মধ্যে থেকে ৪৬টি ব্যালট বাতিল হয়েছে। বৈধ ভোট পড়েছে ১৪৩৪টি। এবারের ভোটে প্রিসাইটিং অফিসার হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন পরিমল মিত্র। তিনি জানান, এখানে প্রার্থী থেকে ভোট দাতা সকলেই ব্যবসায়ী। ফলে কোনওরকমের অশান্তি এখানে হয় না।
জানা গেছে, বিধান মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতিতে ২১ জনের কমিটি তৈরি হয়। এর জন্যে এবারে মোট প্রার্থী ছিলেন ৪৩ জন। এদের মধ্যে ভোটের পরিমাণ যাদের সবচেয়ে বেশি হবে, এমন ২১ জনই নির্বাচিত হন মার্কেট পরিচালনার জন্য। সদস্য নির্বাচনের পর ওই ২১ জন আলোচনা করে ঠিক করেন কে কোন্ পদে থাকবেন।
সর্বোচ্চ ভোট প্রাপকদের মধ্যে সেরা দশ
প্রথম– দেবব্রত সাহা (বাপি) — ১১২৪
দ্বিতীয়– রাজু সাহা (হেন্ডি) — ১১০৭
তৃতীয়– সুব্রত সাহা (কালা) — ৯৮৩
চতুর্থ– সঞ্জীব দে (রাজু) — ৯৪০
পঞ্চম– রতন সাহা — ৯১৫
ষষ্ঠ– অসিত দে (পল্টু) — ৯১৪
সপ্তম– রতন বণিক — ৮৪৮
অষ্টম– গোপাল সাহা— ৮২০
নবম– পিন্টু সাহা — ৮১০
দশম– অভিজিৎ ঘোষ (বাবু) — ৮০৯













