দুরন্ত প্রতিবেদন: মেয়র পদে আর থাকতে চান না গৌতম দেব। ভোটের পরিস্থিতি নিয়ে হতাশ তিনি। ইচ্ছের বিষয়টি জানাবেন দলের নেত্রীকে। এরপর দল যা নির্দেশ দেবে, সেইমতো সিদ্ধান্ত নেবেন শিলিগুড়ির মেয়র। উল্লেখ্য, সোমবার ভোটের রেজাল্টের পর মঙ্গলবারে দপ্তরেও যাননি। তবে সহকর্মীদের নির্দেশ দিয়েছেন যেন তাঁরা অফিস করেন।
মেয়র গৌতম দেব জানান,‘গণনার সময় ইভিএমগুলির চার্জ ৯০ শতাংশের ওপরে ছিল। কীভাবে সম্ভব! সারাদিন মেশিন চলেছে। তারপর এত চার্জ কীভাবে থাকতে পারে? পাশাপাশি প্রতিটি বুথে একই ধারায় ভোট পড়েছে। দেখেই বোঝা যাচ্ছে ইভিএম কারসাজি। এভাবে চক্রান্ত করে যারা হারাল তারা পুরনিগমকে চালাতে দেবে ? কতটা সহযোগিতা করবে বোঝা যায়। ফলে সেই পুরসভায় দায়িত্বে থাকার মানে কি। তাই বিষয়টি দলকে জানাব।’
চক্রান্ত করে যারা হারাল তারা পুরনিগমকে চালাতে দেবে ? কতটা সহযোগিতা করবে বোঝা যায়। ফলে সেই পুরসভায় দায়িত্বে থাকার মানে কি। তাই বিষয়টি দলকে জানাব।’
উল্লেখ্য, গৌতম দেব ৭৩ হাজারের বেশি ভোটে পরাজিত হয়েছেন। যা শিলিগুড়ির মানুষ কল্পনাও করতে পারেননি। সকলেই হাড্ডাহাড্ডি ভেবেছিলেন। গৌতম জানান, অথচ শঙ্কর ঘোষ আগাম বলে দিয়েছিলেন ৭০ হাজারের কাছাকাছি ভোটে জিতবেন। কীভাবে এত নিঁখুত বলতে পারেন! সবকিছুই কি সেটিং করা ছিল? এমনকি শুভেন্দু অধিকারি যা যা বলেছেন, ঠিক সেভাবেই ভবানীপুরে জিতেছেন। এই বিষয়গুলিকে প্রহসন মনে করছেন তিনি। একারণেই বিজেপির ব্যবস্থায় আস্থা নেই। পুরোপুরি হতাশ তিনি।












