দুরন্ত প্রতিবেদন: শিলিগুড়ি প্রথম আর্ট ফেয়ারে সব মিলিয়ে শিল্পী এসেছিলেন প্রায় ১৫০ জন। স্টল হয়েছিল ২৩টি। প্রতিটি স্টল ছিল রঙিন। দর্শকশূন্য স্টল দেখা যায়নি। প্রতিটি স্টল থেকেই বিক্রি হয়েছে কমবেশি। যা শিল্পীদের প্রত্যাশার মধ্যে ছিল না ‘নর্থ বেঙ্গল পেইন্টার্স’এর সভাপতি সঞ্জয় দে জানান,‘প্রথম মেলাতেই যে বিক্রিবাট্টা হবে সেটা আশা করিনি। কিন্তু আমাদের সকলকে চমকে দিয়ে প্রথম মেলাতেই ১ লক্ষ টাকার বেশি ছবি বিক্রি হয়েছে। তারচেয়েও বড় কথা হল একটি স্টল থেকেই বিক্রি হয়েছে অন্তত ৫০ হাজার টাকার বেশি। এটাই আমাদের সাফল্য।



শিলিগুড়ি আঁকার মেলায় স্রেফ ক্যানভাসে আঁকা চিত্রই পাওয়া যাচ্ছিল না, বরং হস্তশিল্পের যে সব কাজে তুলির কাজ রয়েছে, সেই শিল্পও হাজির করেছেন অনেকে। যেখানে কুমড়োর বীজের কানের অলঙ্কার থেকে পাটের নানান শিল্পকর্ম হাজির করা হয়েছে। পাওয়া গেছে, বড় আকারের ছবি থেকে একেবারে মিনি ছবি। ফলে বিভিন্ন শিল্পের সম্ভারে আর্ট মেলা নতুন মাত্রা পেয়েছিল। ছবি : সাতদিন



আর্ট মেলার শেষদিনে আয়োজকরা স্টল বন্ধ করতে বললেও বারেবারে সময় বাড়িয়েছেন শিল্পীরা। যেন কারও বাড়ি ফেরার ইচ্ছে নেই। শেষ দিন চিত্রশিল্পীদের প্রতিজ্ঞবদ্ধ করল পরবর্তী বছরের জন্য। মেলায় আগত প্রায় সকলেই এক বাক্যে স্বীকার করেছেন, এই মেলার ভীষণ প্রয়োজন ছিল। আগামী মেলা নিয়ে আগাম পরিকল্পনা করতে এদিনই একপ্রস্থ আলোচনা সেরেছেন সুজয় মিত্র, সঞ্জয় দে সহ সমস্ত আয়োজকরা।












