দুরন্ত প্রতিবেদন
উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের তিনটি লোকোশেড শিলিগুড়ি, মালদা ও গুয়াহাটির মধ্যে কোথাও এতদিন প্যাসেঞ্জার ট্রেনের জন্য ইলেক্ট্রিক লোকোমোটিভ অর্থ্যাৎ ইঞ্জিন ছিল না। সবই ছিল ডিজেল ইঞ্জিন। ২ ফেব্রুয়ারি শুক্রবারই প্রথম সেই ইঞ্জিন পেল শিলিগুড়ি লোকোশেড। এই লোকোশেডে এতদিন ২১২টি ডিজেল ইঞ্জিন দেখভাল চলত। ধীরে ধীরে ১৩টি বৈদ্যুতিক ইঞ্জিন এসেছে বটে। কিন্তু সবই মালগাড়ি টানার জন্য। এদিনই প্রথম এল প্যাসেঞ্জার ট্রেন টানার জন্য বৈদ্যুতিক ইঞ্জিন। স্বভাবতই এটি বড় প্রাপ্তি। শিলিগুড়ি জংশনের ডিজেল লোকোশেডে সবুজ পতাকা নেড়ে এই ইঞ্জিনের উদ্বোধন করেন কাটিহার ডিভিশনের ডিআরএম সুরেন্দ্র কুমার। সেখানে উপস্থিত ছিলেন মালিগাঁওয়ের চিফ মোটিভ পাওয়ার ইঞ্জিনিয়ার এ বি পুরোহিত, চিফ ইলেকট্রিক্যাল লোকো ইঞ্জিনিয়ার শুভাশিস মিশ্র, শিলিগুড়ির সিনিয়র ভিডিশনাল মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার মণীষ কুমার, অনন্ত কুমার সহ রেলের বিভিন্ন আধিকারিকরা।

এই বৈদ্যুতিক ইঞ্জিনটি তৈরি হয়েছে বারাণসীতে। তবে এদিন থেকে এর দেখভালের দায়িত্ব শিলিগুড়ি লোকোশেডের। এই ইঞ্জিন তৈরি করতে খরচ হয়েছে প্রায় সাড়ে ১১ কোটি টাকা। ডিআরএম জানান, গোটা ভারতেই ডিজেল ইঞ্জিন বদলে ১০০ শতাংশ বৈদ্যুতিক ইঞ্জিনে জোর দেওয়া হয়েছে। যাতে করে দূষণ কমিয়ে গ্রিন এনার্জির ব্যবহার বাড়ানো যায়। এটি সেই উদ্যোগেরই ফল। এতে শুধু বাতাসে কার্বন নিঃসরণ কমবে না, গতিও বাড়বে।













