দুরন্ত প্রতিবেদন: তৃণমূলের লক্ষ্মীর ভান্ডারের অনুকরণে বিজেপি চালু করেছে অন্নপূর্ণা ভান্ডার। তবে টাকা ডাবল। লক্ষ্মীর ভান্ডারে ছিল ১৫০০ টাকা। কিন্তু অন্নপূর্ণা ভান্ডারে ৩০০০ টাকা। শুরুতে মহিলাদের আনন্দের সীমা ছিল না। কিন্তু সেই আনন্দ মিইয়ে যেতে সময় লাগল না। বরং আনন্দ এখন বিদ্রোহে রূপ নিতে শুরু করেছে। অন্নপূর্ণা ভান্ডারের টানা না পেয়ে উত্তরবঙ্গের জেলায় জেলায় মহিলাদের ব্যাপক বিক্ষোভ দেখা যায় এদিন। শিলিগুড়ির ফাঁসিদেওয়া, মাটিগাড়া, খড়িবাড়ি, মালদার গাজোল, চাঁচল, দক্ষিণ দিনাজপুরের তপন, কোচবিহারের মেখলিগঞ্জেও এদিন বিক্ষোভে ফেটে পড়েন মহিলারা। ফাঁসিদেওয়া পরিস্থিতি এমন হয় যে, বিএসএফ লাঠিচার্জ করতে শুরু করে। ফলে ক্ষোভ আরও বেড়ে যায়। তপনের বিডিও অফিস লক্ষ্য করে ডিম ছুঁড়তে শুরু করেন মহিলারা। পরিস্থিতি সামাল দিতে নামাতে হয় পুলিশ বাহিনী। গাজোলের বিধায়ক এই গোটা আন্দোলনের মধ্যে সরকারকে বদনাম করার চক্রান্ত দেখতে পাচ্ছেন বলে ইঙ্গিত করেছেন। কিন্তু সত্যিই কি ষড়যন্ত্র নাকি বাস্তবিকই মহিলারা ক্ষুদ্ধ? সেই উত্তর সম্ভবত বুঝতে সরকারকেও বেশি সময় লাগবে না।

শিলিগুড়ির মাটিগাড়া ব্লক অফিসে জমায়েত হওয়া মহিলাদের অভিযোগ,‘তাঁরা লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পেতেন, কিন্তু অন্নপূর্ণা প্রকল্পের টাকা পাচ্ছেন না। সমস্ত নথিপত্র এক মাস আগেই ব্লক অফিসে জমা করেছি, তবু দেখাচ্ছে ‘আন্ডার প্রসেস’। ফলে আন্দোলন ছাড়া উপায় দেখছি না।
শিলিগুড়ির ফাঁসিদেওয়া, মাটিগাড়া, খড়িবাড়ি, মালদার গাজোল, চাঁচল, দক্ষিণ দিনাজপুরের তপন, কোচবিহারের মেখলিগঞ্জেও এদিন বিক্ষোভে ফেটে পড়েন মহিলারা। ফাঁসিদেওয়া পরিস্থিতি এমন হয় যে, বিএসএফ লাঠিচার্জ করতে শুরু করে। ফলে ক্ষোভ আরও বেড়ে যায়। তপনের বিডিও অফিস লক্ষ্য করে ডিম ছুঁড়তে শুরু করেন মহিলারা।
ফাঁসিদেওয়া বিডিও অফিস স্লোগানে স্লোগানে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ফাঁসিদেওয়া থানার ওসি সুদীপ কুমার বিশ্বাসের সঙ্গে বিএসএফও আসে। কিন্তু বিক্ষোভ এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে বিএসএফ জওয়ানরা বিক্ষোভরত মহিলাদের উপর লাঠি উঁচিয়ে তাড়া শুরু করেন। বেশ কয়েকজন মহিলা আহত হয়েছেন। জখম হয়েছেন সাংবাদিকরাও।
মালদায় অযোগ্যদের অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ফলে প্রকৃত মহিলা উপভোক্তারা চাঁচল এবং গাজোল বিডিও অফিস ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখান। ফলে বিডিও অফিসের কাজকর্ম লাটে ওঠে। ছুটে আসতে হয় চাঁচল এবং গাজোল থানার পুলিশকে। গাজোলের বিডিও সুমন ঘোষ ও গাজলের বিধায়ক চিন্ময় দেব বর্মনের আশ্বাসে অবশ্য বিক্ষোভ ওঠে শেষে। কিন্তু ক্ষোভ ধামাচাপাই থেকে যায়। এই ক্ষোভ কোনদিকে প্রবাহিত হবে কেউ জানে না।












