দুরন্ত প্রতিবেদন: প্রায় ৭০ হাজার ভোটে পরাজিত গৌতম দেব। বিজেপির শঙ্কর ঘোষ এরকমই সংখ্যার কথা আগাম বলেছিলেন। সেটা কি স্রেফ আন্দাজে বলেছিলেন, নাকি জানতেন? এটা নিয়েই জোর সন্দেহ গৌতম দেবের। তিনি মঙ্গলবার সকালেও জানিয়ে দিলেন,‘পুরোপুরি ইভিএমে কারসাজি করে হারানো হয়েছে। নইলে এত ভোটের ব্যবধানে হারাটা অসম্ভব।’ পাশাপাশি তিনি জানান, শঙ্কর উত্তেজিত হয়ে আচমকা বলে দিলেন আমরাই সরকার গড়ব। পরে কত ভোটে জিতবে, সেটাও আগাম বলে দিয়েছে। কীভাবে সম্ভব? তার মানে কোথাও একটা চক্রান্ত হয়েছে। পুরোপুরি কারসাজি। শুধু তাই নয়, ব্যালটের বাক্স খোলা ছিল, ইভিএমে চার্জ ছিল ৯০-৯৫%।
‘অফিসে গেলেই সবাই বলবে ফাইল সরাতে গেছি। এটাই তো সংস্কৃতি হয়েছে। আজ তাই গেলাম না। আমার কাছে এই মুহূর্তে কর্মীদের নিরাপত্তা সবার আগে। সেই কাজ করছি বাড়িতে বসে। সমস্ত এলাকার খবর নিচ্ছি।’— গৌতম দেব
সারাদিন ইভিএম চলার পর কীভাবে এত চার্জ থাকে ? এই সবকিছুর মধ্যেই সন্দেহের যুক্তিপূর্ণ কারণ আছে।’
সকাল থেকেই বাড়িতে যারা এসেছেন বা ফোন করেছেন, সকলকে এমনটাই বলছেন। এভাবেই দিন কাটল গৌতম দেবের। বাড়িতেই। গেলেন না পুরদপ্তরে। সকালে ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মেয়র পারিষদ রামভজন মাহাতো, চেয়ারম্যান প্রতুল চক্রবর্তী, ২০ নম্বর ওয়ার্ডে মেয়র পারিষদ অভয়া বসু, ৪৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর অমর আনন্দ দাস গৌতম দেবের বাড়িতে এসেছিলেন। সকলকে জানিয়ে দিয়েছেন, তাঁরা যেন দপ্তরে যান। কিন্তু তিনি যাবেন না। বুধবার থেকে যথারীতি যাবেন।

কেন এদিন দপ্তরে গেলেন না? ভোটের অমানষিক পরিশ্রমের পরেও তিনি বিশ্রাম নেননি। গৌতম দেব জানান,‘আজ অফিসে গেলেই সবাই বলবে ফাইল সরাতে গেছি। এটাই তো সংস্কৃতি হয়েছে। আজ তাই গেলাম না। আমার কাছে এই মুহূর্তে কর্মীদের নিরাপত্তা সবার আগে। সেই কাজ করছি বাড়িতে বসে। সমস্ত এলাকার খবর নিচ্ছি। অনেক অফিস ক্লাবে ওদের ঝাণ্ডা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। পার্টি অফিসও ছাড়েনি। ফলে সমস্ত বিষয়গুলি দেখতে হচ্ছে।












