দুরন্ত প্রতিবেদন: সিপিএমের ২৪তম দার্জিলিং জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে চলেছে ২৪ ও ২৫ জানুয়ারিতে। ২৪ তারিখে প্রকাশ্য সমাবেশ। বক্তা হিসেবে থাকবেন দলের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম, রাজ্য কমিটির নেতা জীবেশ সরকার ও অশোক ভট্টাচার্য। সমাবেশের স্থান ঠিক হয়েছিল ‘বাঘাযতীন পার্ক’। কিন্তু শিলিগুড়ি পুরনিগম ওই মাঠ ব্যবহারের অনুমতি দেয়নি। অভিযোগ, সিপিএম রাজ্য কমিটির নেতা জীবেশ সরকারের। জানান,‘বিরোধী রাজনৈতিক দলকে আটকাতেই এই সিদ্ধান্ত। এই প্রবণতা আসলে গণতন্ত্র বিরোধী’।
সিপিএম নেতা সমন পাঠক, মুকুল সেনগুপ্ত, সৌরভ সরকারের পাশাপাশি জীবেশ সরকার ও অশোক ভট্টাচার্য রীতিমত সাংবাদিক সম্মেলন করে জানিয়েছেন,‘বাঘাযতীন পার্কে কদিন আগেই মাটি খুঁড়ে বইমেলা হয়েছে। পুজো পার্বণ থেকে নানা সরকারি অনুষ্ঠান তো চলতেই থাকে। স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাকেও দেওয়া হয় যে কোনও রকমের অনুষ্ঠান করার জন্য। অথচ আমরা যতবার মাঠ চেয়েছি, বলা হয়েছে মাঠ নষ্ট হবে। বাকি অনুষ্ঠানের জন্য কি তবে মাঠ নষ্ট হয় না? এগুলো কেমন যুক্তি।’ সিপিএমের বক্তব্য, মাঠ ব্যবহার করতে না দিলে, সেটা সব ক্ষেত্রে একই নিয়ম হওয়া উচিৎ।

একসময় বাঘাযতীন পার্কে ‘ঘাস’ বলে কিছু ছিল না। গৌতম দেব উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী হবার পর বাঘাযতীন পার্ক ঢেলে সাজানোর পরিকল্পনা নেন। ধীরেধীরে বাঘাযতীন পার্ক আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে। অনেকের অভিযোগ, মাঠ সুন্দর করে তৈরি করলেও মাঠের উপযোগিতা নষ্ট হয়ে যায়। মাঠের মধ্যে মানুষের অবাধ প্রবেশ বন্ধ করে দেওয়া হয়। দিনের মাত্র দুটি বিশেষ সময়ে খোলা রাখা হয়। যেমনটি পার্কে করা হয়। এতকিছুর বিধিনিষেধ করার কারণ, এত খরচের পর ওই ঘাস যাতে উঠে না যায়। তাই মাঠের মধ্যে অনুষ্ঠানে বিধিনিষেধ আনা হয়। সিপিএম নেতারা সবকিছুতে একমত, কিন্তু বক্তব্য বাকি সবই হবে, শুধুমাত্র বিরোধীরা মাঠ চাইলেই হাজার নিয়মকানুন মনে পড়ে কেন? মেয়র গৌতম দেব অবশ্য সোজা সাপটা জানিয়ে দিয়েছেন, সরকারি অনুষ্ঠান ও স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা বাদে কাউকে এই মাঠ দেওয়া হবে না।












