দুরন্ত প্রতিবেদন: পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়নের জন্য কেন্দ্রের সরকার ৭০,০০০ কোটি টাকা দিচ্ছে। শিলিগুড়িতে দাঁড়িয়ে এই তথ্য দিলেন বাংলার অর্থমন্ত্রী ড. স্বপন দাশগুপ্ত। ‘বেঙ্গল চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি’র দিল্লি কাউন্সিল আয়োজিত শিলিগুড়ির ‘বিকশিত বাংলা’ শিল্প সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এই তথ্য দেন।
পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়নের জন্য কেন্দ্রের সরকার ৭০,০০০ কোটি টাকা দিচ্ছে। শিলিগুড়িতে দাঁড়িয়ে এই তথ্য দিলেন বাংলার অর্থমন্ত্রী ড. স্বপন দাশগুপ্ত।
আসলে বিজেপি ক্ষমতায় আসার আগে থেকেই বলে আসছে ‘সোনার বাংলা’ গড়ে দেবে তাঁরা। কিন্তু কীভাবে? বাংলার ঘাড়ের ওপর তো ৮ লক্ষ কোটি টাকার ঋণের বোঝা রয়েছে। যার সুদ মেটাতে কালঘাম ছুটছে রাজ্যের। সেখানে এতো উন্নয়ন কীভাবে সম্ভব? মঙ্গলবার শিল্প সম্মলনে অর্থমন্ত্রী ভাষণ দিতে গিয়ে জানালেন,‘গত পরশু বিধানসভায় বিরোধী দলের এক প্রবীণ নেতা আমাকে প্রশ্ন করেছিলেন, আপনারা এই যে এত বড় বড় পরিকল্পনা করছেন, রাজ্য সরকারের তো ৮ লাখ কোটি টাকার ঋণ রয়েছে, যার বিশাল সুদ। এই টাকার জোগান কোথা থেকে আসবে? তখন বাধ্য হয়েই আমাকে একটি তথ্য প্রকাশ করতে হয়েছিল, যা আমি আগে বলতে চাইনি। আমি বলেছিলাম, আপনি কি জানেন এই বছর কেন্দ্র থেকে বিভিন্ন প্রকল্পে আমাদের রাজ্য কত টাকা পেতে চলেছে? প্রায় ৭০,০০০ কোটি টাকা।’

এই তথ্য দেবার পর অর্থমন্ত্রী বলতে চেয়েছেন, বিগত ৫০ বছরে বাংলা যে অবহেলার শিকার হয়েছে সেই ঘাটতি মেটাতেই এতো অর্থ দিচ্ছে কেন্দ্র।’ স্বাভাবিকভাবেই এই বিপুল অর্থ মঞ্জুর করায় বাংলা লাভবান হবে। কিন্তু এখানেও অনেকে প্রশ্ন করেছেন। বলছেন, ১) ৭০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ প্যাকেজ দিচ্ছে না কেন্দ্র। বিভিন্ন প্রকল্প বাবদ দিচ্ছে। সেই প্রকল্প তো এমনিতেই বাংলার প্রাপ্য, যা বিগত সময়ে বাংলা পায়নি। এতে বকেয়া ঋণ কতটা মেটানো সম্ভব হবে? ২) বাংলার মাথায় ঋণের বোঝা ৮ লক্ষ কোটি টাকার। তার মধ্যে ৭০ হাজার কোটি টাকা দেওয়া মানে মাত্র ৮.৭৫ শতাংশ অর্থ মঞ্জুর করা। এতে বাংলায় উন্নয়নের ছোঁয়া কতটা লাগবে? এ সবই মরিচীকার মতো !
৭০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ প্যাকেজ দিচ্ছে না কেন্দ্র। বিভিন্ন প্রকল্প বাবদ দিচ্ছে। সেই প্রকল্প তো এমনিতেই বাংলার প্রাপ্য, যা বিগত সময়ে বাংলা পায়নি। এতে বকেয়া ঋণ কতটা মেটানো সম্ভব হবে?












