দুরন্ত প্রতিবেদন
অভিষেক ব্যানার্জির সমস্ত সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে নেওয়া হয়েছে বলে প্রকাশ্য সভায় নিজেই জানিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। বললেন,‘অভিষেক তরুণ ছেলে। বিয়ে করেছে। দুটো বাচ্চা আছে। কিছু তো করে খাওয়াতে হবে। ঘরে বসে থাকলে তো খাবার পাওয়া যাবে না। ওর একটা ব্যবসা ছিল। সব সম্পত্তি অ্যাটাচ (বাজেয়াপ্ত) করে নিয়েছে। আমি এটা নিয়ে আগে কখনও কিছু বলিনি, কারণ অন্যায়ের বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই। আমাদের যা আছে নাও, কিন্তু গণতান্ত্রিক অধিকার ছিনিয়ে নিও না।’ অভিষেক ব্যানার্জির সম্পত্তি কারা বাজেয়াপ্ত করল সেটা খোলসা না করলেও গোটা তীর যে বিজেপি সরকারকে লক্ষ্য করে ছোঁড়া হচ্ছে, সেটা পুরোপুরি নিশ্চিত। যেভাবে সিবিআই, ইডির হানা হচ্ছে এবং তৃণমূল নেতারা সিবিআই ইডির বিরুদ্ধে ঢালাও অভিযোগ জানাচ্ছেন, তাতে বুঝতে বাকি থাকে না যে অভিষেকের সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের পেছনে আসলে কাদের দাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
উল্লেখ্য, নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় নাম অভিষেকের সংস্থা বলেই পরিচিত ‘লিপ্স অ্যান্ড বাউন্ডস’-এর নাম জড়িয়েছে। গ্রেপ্তার হয়েছে ওই সংস্থার কর্মী সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র (কালীঘাটের কাকু)। সেটা আবার এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) হাতে। বলা হচ্ছে ওই সংস্থার ‘ডিরেক্টর’ পদে নাকি আগে অভিষেক ব্যানার্জিই ছিলেন। ২০১৪ সালে লোকসভায় প্রার্থী হওয়ায় ইস্তফা দেন। কিন্তু তা সত্ত্বেও সিইও পদ এখনও আছে বলেই বলা হচ্ছে। আর তাঁর সংস্থায় ২০১৪ সালের পর থেকে আয় বৃদ্ধি একটা প্রশ্নের বিষয় হয়ে উঠেছে। যাতে করে ইডির নজরে এসেছে। মনে করা হচ্ছে মুখ্যমন্ত্রীও ইঙ্গিতে ইডি কিংবা সিবিআইয়ের দিকেই আঙ্গুল তুলেছেন।












