দুরন্ত প্রতিবেদন: বিজেপি সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জন বার্লার বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগ তুললেন দলেরই নেতারা। শুধু তাই নয়, সংগঠন বিরোধী কার্যকলাপের এমন অভিযোগ তুলে বিজেপির চা-শ্রমিক সংগঠন থেকেই পুরোপুরি সরিয়েই দেওয়া হয়েছে। তাই নিয়ে চরম কোন্দল দানা বেঁধেছে দলের অন্দরে। যা নিয়ে রীতিমত অস্বস্তিতে উত্তরবঙ্গের বিজেপি। জানা গেছে, স্রেফ জন বার্লাকে নয়, তার মতানুসারী আরও ৩ জনকে সংগঠন থেকে বহিস্কার করা হয়েছে। এতদিন বিষয়টি নিয়ে টানাপোড়েন চললেও এদিন ভারতীয় টি ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের (বিটিডব্লিউইউ) সভাপতি যুগল কিশোর ঝা রীতিমত পারিষদদের সঙ্গে নিয়ে এসে শিলিগুড়ি জার্নালিস্টস ক্লাবে সংবাদিক সম্মেলন করে মন্ত্রীর বিরুদ্ধে তোপ দাগেন। যা নিয়ে ব্যাপক সোরগোল তৈরি হয়েছে। লোকসভা ভোটের প্রাক্কালে বিজেপির এই হাল নিয়ে দলীয় কর্মীরাও হতাশ। গোটা বিষয়টি রাজ্য নেতাদের জানানো হয়েছে।
এদিন ভারতীয় টি ওয়ার্কার্স ট্রেড ইউনিয়নের সহ-সভাপতি পঙ্কজ তিওয়ারি ও সাধারণ সম্পাদক বিষ্ণু রায়কে সঙ্গে নিয়ে জার্নালিস্টস ক্লাবে আসেন সভাপতি যুগল ঝা। বলেন,‘জন বার্লা লাগাতার সংগঠন বিরোধী কাজ করে চলেছেন। আমরা সংগঠন মজবুত করার জন্য উনাকে উপদেষ্টা পদে রেখেছিলাম। অথচ তিনি উপদেষ্টা পদে বসে গোটা সংগঠনের রাশ নিজের হাতে নেবার চেষ্টা চালিয়ে গেছেন। সভাপতির অজ্ঞাতে বৈঠক ডেকেছেন। চা-বাগান মালিকদের সঙ্গে সেটিং করছেন। তোলাবাজি করছেন। প্রতিবাদ করায় উল্টে আমার বিরুদ্ধেই তোলাবাজির অভিযোগ করছেন। তবে আমার কাছে সমস্ত নথি আছে।’ অন্যদিকে মন্ত্রী জন বার্লা জানিয়েছেন,‘আমি দলের চেয়ারম্যান। দিন কয়েক আগে দলের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করে যুগল ঝাকেই দল থেকে বহিস্কার করা হয়েছে। সে আবার আমাকে কী করে বের করবে?’
অথচ সভাপতির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী বার্লা সহ উইলিয়াম মিনজ, তোপেন সোরেন ও পরেশ চিক বরাইককে বহিস্কার করা হয়েছে। ওই পদে নিয়ে আসা হয়েছে কালচিনির বিজেপি বিধায়ক বিশাল লামা, মাদারিহাটের বিধায়ক মনোজ টিগ্গা এবং নাগরাকাটার বিধায়ক পুনা ভেংরাকে। যুগল ঝায়ের কথায়,‘জন বার্লা আর শ্রমিকের নেতা নেই। তাঁর তিনতলা প্রাসাদের মতো বাড়ি দেখলে মনে হবে উনি নিজেই বাগানের মালিক। ফলে আমার বিরুদ্ধে উনার অভিযোগ ধোপে টিকবে না। আমি এখনও ভাঙা ঘরে থেকেই শ্রমিকদের জন্য লড়াই করে চলেছি।’ উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে উত্তরবঙ্গের চা বলয়ে বিজেপির সংগঠন মজবুত করার জন্য ১ অক্টোবর একটা শ্রমিক সমাবেশ করা হয়েছিল। যেখানে এসেছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি। সেদিনের জমায়েতেও চা-শ্রমিকদের সেভাবে চোখে পড়েনি। মনে করা হচ্ছে, একে তো বিজেপি অনেক প্রতিশ্রুতি পূরণ করেনি চা শ্রমিকদের, তার মধ্যে সংগঠনে এই কোন্দলের জেরেই জমায়েতের বেহাল অবস্থা ছিল।
পদ নিয়ে কোন্দল, কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগ দলেই, বহিস্কার
অক্টোবর 3, 2023

এই ক্যাটাগরির আরও খবর

বিজেপি নেতার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক সুবর্ণা, পাল্টা বোমা প্রদীপ চৌধুরীর

খোলা মাঠে চেয়ার পেতে জনতার দরবার

ফতোয়া !

উত্তরবঙ্গের উপমুখ্যমন্ত্রী হোক শঙ্কর

ভাগ্যের নির্মম পরিহাস !

বিজেপি শাসনে দার্জিলিং জেলায় বিস্তাই বস্ !

মেয়র পদে থাকার ইচ্ছে নেই গৌতমের

ভাড়াটিয়া খুঁজছেন গৌতম

বিজয় মিছিলের স্থান নির্বাচনে চমক বিজেপির


