পুজো এলেই মাতামাতি শুরু হয় বিগ বাজেটের মণ্ডপ নিয়ে। কার কত বাজেট তাই নিয়ে চলে প্রতিযোগিতা। যে আড়ম্বড়ের চাপে পড়ে ওষ্ঠাগত হয়ে ওঠে আমাদের চিরায়ত ঐতিহ্য। বিশুদ্ধ চিত্তে দেবীকে পুজো, পরম শক্তিকে অনুধাবন করার চেষ্টা ক্রমশই উবে যাবার মুখে। এমন একটা সময়ে শিলিগুড়ি কাওয়াখালি মথুরামজোতের ধ্যানমন্দিরের পুজো অন্য জগতের সন্ধান দিচ্ছে বেশ কয়েক বছর ধরে। এবারেও সেখানে আয়োজন হয়েছে দেবী দুর্গার আরাধনার। ৯ রাত্রিজুড়ে নবরূপে দেবী এখানে পূজিত হবেন। অষ্টমীতে হবে ৯ জন কুমারি পূজা। যেখানে কেবল ব্রাহ্মণ পরিবারের কন্যা নয়, বরং সাফাই কর্মীর কন্যা থেকে সমাজে নিম্নবর্গ বলে পরিচিত মেয়েরাই পূজিত হবেন। আর পুজো এখানে শুধু মন্ত্রোচ্চারণ করে হয় না, বরং শিল্পীরা তাঁদের শিল্প অর্পণ করে দেবীকে তুষ্ট করার চেষ্টা করেন। যাকে বলা হয় কলার্পনম। কেউ উচ্চাঙ্গ সঙ্গীত, কেউ নৃত্য, কেউ এসরাজ, খেয়াল, কেউ বা সেতার বাজাতে বাজাতে বিভোর হয়ে পড়েন। দেবীর সম্মুখে নিজের শিল্পকে উজার করে দিতে দিতে অঝোরে কাঁদতে থাকেন এক অন্য খেয়ালে। শিল্পী তখন যেন এই জগতে বিচরণ করেন না। তখন যেন পুজো সার্থক হয়ে ওঠে। মন্দির থেকে বেরিয়ে নিজেকে অন্য এক জগতের মানুষ বলে উপলব্ধি হতে শুরু করে। এই পুজোর যাবতীয় আয়োজন করেন আর্ট অফ লিভিং শিলিগুড়ির কর্মকর্তারা। এই পুজো হয় নামমাত্র খরচে। পুজো কমিটির তরফে অসীম সাহা, বিজয় শাহ, শৈবাল শঙ্কর দাসেরা জানান,‘এখানে পুজো হয় ভক্তি থেকে। মণ্ডপ সাজাতে আমাদের হাজার টাকাও খরচ হয় না। ফলে চাঁদারও প্রয়োজন পড়ে না। ভক্তরা নিজেদের মতো করে সাজানোর সামগ্রী এনে নিজেরাই সাজিয়ে তোলেন। তারপর নবরাত্রিজুড়ে চলে পুজো।
এই ক্যাটাগরির আরও খবর

বিজেপি নেতার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক সুবর্ণা, পাল্টা বোমা প্রদীপ চৌধুরীর

খোলা মাঠে চেয়ার পেতে জনতার দরবার

উত্তরে লগ্নির পরিবেশ চান শিল্পদ্যোগীরা

ফতোয়া !

উত্তরবঙ্গের উপমুখ্যমন্ত্রী হোক শঙ্কর

ভাগ্যের নির্মম পরিহাস !

মেয়র পদে থাকার ইচ্ছে নেই গৌতমের

ভাড়াটিয়া খুঁজছেন গৌতম

বিজয় মিছিলের স্থান নির্বাচনে চমক বিজেপির



