Uncategorized

‌পাহাড়ে ক্ষমতা বাড়ছে অনীত থাপার

নভেম্বর 13, 2024

কবিতা গুরুং (‌দার্জিলিং, ১২ নভেম্বর)‌ :‌ পাহাড়ে আরও ক্ষমতা বাড়ছে অনীত থাপার। গোর্খাল্যান্ড টেরিটোরিয়াল অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (জিটিএ) প্রধান তিনি। এবারে দার্জিলিং পার্বত্য এলাকার ১৫টি উন্নয়ন পর্ষদের মাথাতেও সেই অনীত থাপাকেই বসানো হচ্ছে। এতে করে জিটিএর নিয়ন্ত্রকের পাশাপাশি সমস্ত জনজাতির উন্নয়ন পর্ষদগুলিরও নিয়ন্ত্রক হতে চলেছেন তিনি। মঙ্গলবার দার্জিলিঙের রিচমন্ড হিলে প্রশাসনিক বৈঠকের পর এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে দিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। মুখ্যমন্ত্রীর এই সিদ্ধান্তে উন্নয়ন বোর্ড গুলির অনেকেই যে খুশি নয়, সেটা তাদের চোখে মুখেই প্রকাশ পাচ্ছিল এদিন। যদিও ভারতীয় গোর্খা প্রজাতান্ত্রিক মোর্চার নেতৃত্বরা এই সিদ্ধান্তে বেজায় খুশি।


উল্লেখ্য, রাজ্য সরকারের কয়েকটি দপ্তরের অধীনে তৈরি করা হয়েছিল পার্বত্য এলাকার মোট ১৫ টি বোর্ড। যেমন লেপচা বোর্ড, লিম্বু বোর্ড, রাই বোর্ড, গুরুং বোর্ড, খাস বোর্ড, মঙ্গর বোর্ড ইত্যাদি। এতদিন এই বোর্ডগুলি রাজ্য সরকারের কাছ থেকে যে আর্থিক তহবিল পেত, সেই টাকা দিয়ে নিজ নিজ জনজাতির মানুষদের উন্নয়নে খরচ করতেন বোর্ডের কর্মকর্তারা। এক্ষেত্রে প্রত্যেকটি বোর্ডের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্তই ছিল চূড়ান্ত। স্থানীয়ভাবে তাদের নজরদারি কিংবা দেখভালের কেউ ছিল না। এবারে সেটাই হতে চলেছে। ১৫ টি বোর্ডকে দেখার জন্য একটি মনিটরিং সেল গঠন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। যাতে করে বোর্ডগুলি কাজ করার ক্ষেত্রে জিটিএর সব রকম সহযোগিতা পায়। পাশাপাশি বোর্ডের খরচের হিসেব-নিকেশ যাকে বলে অডিট রিপোর্ট খতিয়ে দেখতে পারে ওই কমিটি। এতে করে কাজ যেমন সুন্দর হবে, সেই সঙ্গে স্বচ্ছতাও থাকবে অনেক বেশি। মুখ্যমন্ত্রী অনেক চিন্তা ভাবনা করে এই মনিটারিং সেল তৈরির কথা জানালেও এতে করে অনীত থাপার ক্ষমতা যে কয়েকগুণ বেড়ে গেল এবং এবার থেকে পনেরটি বোর্ডের রাশও যে আখেরে অনীত থাপার হাতেই এলো সেটা পরিষ্কার। অন্যদিকে বোর্ডগুলি এতদিন স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নিলেও এবারে অনীত থাপার সঙ্গে আলোচনা না করে কোনওভাবেই কাজ শুরু করতে পারবেন না।এতে কিছুটা হলেও নিরাশ বেশ কয়টি বোর্ডের কর্মকর্তারা।

Leave the first comment