দুরন্ত প্রতিবেদন: ডিসেম্বরে দ্বিতীয়বার তুষারপাত হল দার্জিলিঙের সান্দাকফুতে। সপ্তাহখানেক আগেই তুষারে ছেয়ে গিয়েছিল সান্দাকফু, ফালুট, তংলু সহ বিস্তীর্ণ এলাকা। বুধবার দুপুর থেকে ফের ভারী তুষারপাত হল দার্জিলিঙের উঁচু পাহাড়ে। জিটিএ পর্যটন দপ্তরের সান্দাকফু কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা বিনয় মোক্তান জানান,‘এই ডিসেম্বরে দ্বিতীয়বার তুষারপাত হল সান্দাকফুতে। এটা দার্জিলিং পাহাড়ের পর্যটনের জন্য খুশির খবর। এতে পাহাড়ে পর্যটকের সংখ্যা বাড়বে। বুধবার দুপুর ১টা থেকে তুষারপাত শুরু হয়।’ সান্দাকফু ল্যান্ড রোভার অ্যাসোশিয়েশনের সভাপতি চন্দন প্রধান জানান,‘এদিন দারুণ তুষারপাত হয়েছে। অনেক পর্যটক তুষারপাতের সাক্ষী হতে পেরেছেন।’পাহাড়ের তাপমাত্রার পতন যেভাবে হচ্ছে, তাতে ঘুম, টাইগার হিল তো বটেই, দার্জিলিং শহরেও তুষারপাতের সম্ভাবনা আশা করা হচ্ছে। তেমন হলে পুজোর সময়ের মতো এই মরসুমেও দার্জিলিং পাহাড়ে হোটেলে জায়গা পাওয়া দুরূহ হয়ে পড়বে বলে জানিয়েছেন হোটেল অ্যাসোসিয়েশনের কর্মকর্তারা।


শুধু দার্জিলিং পাহাড়ের সান্দাকফু নয়, প্রতিবেশী সিকিম রাজ্যের বিস্তীর্ণ এলাকায় এদিন ভারীমাত্রায় তু্যারপাত হয়েছে। উত্তর সিকিমের লাচেন ও লাচুং তো রীতিমত সাদা ধবধবে হয়ে গেছে। তুষারের অভীজ্ঞতা নিতে প্রচুর পর্যটকের ফোন আসা শুরু হয়ে গেছে। ব্যাপকহারে তুষারপাতের ঘটনায় ব্যতিব্যস্ত হয়ে উঠেছেন পর্যটন ব্যবসায়ীরা।


সিকিমের পেলিংয়েও প্রচুর তুষারপাতের ঘটনা ঘটেছে। সেই সঙ্গে ছাঙ্গু সহ আশাপাশের এলাকাতেও তুষারে ছেয়েছে। বড়দিনের আগে এই তুষারপাত যেন পর্যটক ও পর্যটন ব্যবসায়ীদের মধ্যে প্রাণ সঞ্চার করেছে।


রাবাংলাও সাদা ধবধবে হয়ে আছে। আর এই তুষারপাতের জেরে পাহাড়ে কনকনে ঠাণ্ডা। মিরিকের বেশকিছু এলাকায় হালকা ও মাঝারি বৃষ্টি হয়েছে। শিলাবৃষ্টিতেও রাস্তাঘাট বরফে বরফে ছয়লাপ হয়ে যায়। পাহাড়ের ঠাণ্ডা আরও বেশি মনে হয়। আবহাওয়ার পূর্বাভাসে জানা যায়, হিমালয় সংলগ্ন উত্তরবঙ্গের পাঁচ জেলাতেই বৃষ্টি হতে পারে। এমনকি শিলাবৃষ্টিও হতে পারে। ইতিমধ্যে পাহাড় পাদদেশের শিলিগুড়ি সহ আশপাশের জেলায় ঠাণ্ডা হাওয়া ঢুকতে শুরু করেছে।












