দুরন্ত প্রতিবেদন: ‘শহরতলি’। একটি প্রকাশনা সংস্থার নাম। কর্ণধার তরতাজা এক তরুণ। হাবেভাবে প্রকাশকের ছাপ নেই। ২০১৭ সাল থেকে এ যাবৎ অন্তত ৭০ জন লেখকের বই প্রকাশ করেছেন। গল্প, কবিতা, প্রবন্ধ থেকে রকমারি গদ্যের বই করে উত্তরবঙ্গে তো বটেই বাংলা প্রকাশনার জগতেও ছাপ ফেলতে পেরেছেন প্রকাশক তন্ময় বসাক। সেই তন্ময় ১৬ জুলাই ‘শহরতলি উৎসব’ এর আয়োজন করেন। স্থান ঠিক হয় শিলিগুড়ি শহরে বইয়ের গন্ধ ছড়িয়ে দেওয়া ‘চন্ডাল বুকস’এ। যেখানে আমন্ত্রণ জানানো হয় গোটা উত্তরবঙ্গ সহ কলকাতার সেইসব লেখক কবিদের, যাদের বই প্রকাশ করেছেন তন্ময়। উদ্দেশ্য লেখকদের সঙ্গে প্রকাশকের যোগাযোগ নিবিড় করা। পাশাপাশি গল্প কবিতা নিয়ে একটা দিন হুল্লোড় করা। তাই সেদিনের উৎসবে আমন্ত্রিত ছিলেন শিলিগুড়ির সব তরুণ কবিদের দল। কবির ঝাঁক ছুটে এসেছিল ডুয়ার্স, তরাই, রাজনগর থেকেও। কবিতার সঙ্গে এসে পৌঁছায় সুর ও সঙ্গীত। ভাওয়াইয়ার মাদকতা। ফলে উৎসব জমে ওঠে। কোচবিহার থেকে সুবীর সরকার থেকে তরুণ কবি পীযুষ সরকার, তরুণ কথাসাহিত্যিক অগ্রদীপ দত্ত, তরুণ প্রকাশক সুকান্ত দাস, কৃত্তিবাস পুরস্কার জয়ী পঙ্কজ ঘোষ, বাচিক শিল্পী পার্থপ্রতীম পান, শৌভিক বণিক, রিমি দে, স্বাগতা ঘোষ, শিপ্রা পাল, শ্রেয়সী চ্যাটার্জি, মৌমিতা দাস, শুভ্রদীপ রায়, শতানীক রায় থেকে অনেকে। সন্দীপন দত্তের প্রাণখোলা সঞ্চালনায় উৎসবও প্রাণ খুঁজে পেয়েছিল। এভাবে কি প্রকাশকরা সর্বত্র লেখক কবিদের নিয়ে উৎসবে মাতেন ? ছোঁয়াচে রোগের মতো এই উৎসবগুলি ছড়িয়ে পড়ার ভীষণ দরকার এই সময়ে।
এই ক্যাটাগরির আরও খবর

পাঞ্জাবিতেই ভোটের বার্তা গৌতমের

একমঞ্চে তিন ‘মেয়র’, সৌজন্যে মিত্র সম্মিলনী

জার্মানির বাউহাউস অনুকরণে ‘মাটি’ উৎসব শিলিগুড়িতে

বাসভূমি পুরস্কার পাচ্ছেন অশেষ দাস

প্রাক পুজোর আনন্দে মাতোয়ারা ব্যাঙ্গালোরের বাঙালিরা

আর্ট ফেয়ার ও ঘামের গল্প

জল রঙে ডুব দেবেন আজ আর্টিস্টরা

আসছেন ২০০ শিল্পী, কাল থেকে আর্ট মেলা

হ্যাপি স্ট্রিট : চলতি বছর আবার হবে !



