দুরন্ত প্রতিবেদন: ‘দার্জিলিঙে একটি কফি হাউস উদ্বোধন করতে পেরে আমি আনন্দিত! কফি হাউস বাংলার সকলের কাছে একটি আবেগ। নানা কারণে আমাদের হৃদয়ে সবসময় এটা বিশেষ স্থান ধরে রাখবে। দার্জিলিং ভ্রমণকারী সকলকে বলছি, আসুন এই সুন্দর জায়গা উপভোগ করুন এবং সুখস্মৃতি তৈরি করুন !’– ২০২২ সালের ১২ জুলাই দার্জিলিঙে ‘ক্যাফে হাউস’ উদ্বোধন করার পর নিজের ফেসবুক পেজে ওপরের কথাগুলি লিখেছিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। সেখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য মুখ্যমন্ত্রীর এতটাই ভাল লেগেছিল যে, ১৩ জুলাই ফের ওই ক্যাফেতে যান। দার্জিলিং চায়ে চুমুক দেন আর মেতে ওঠেন গানে। আর তারই রেশ ধরে দার্জিলিঙের শতাব্দী প্রাচীন গ্লেনারিজ এবং কেভেন্টারসের পাশে অনায়াসে নাম লিখিয়ে নেয় ‘ক্যাফে হাউস দার্জিলিং’। আর এবার সেই নামজাদা ক্যাফে হাউসের দ্বিতীয় ঠিকানা হয়ে উঠল পাহাড় পাদদেশের চা-বাগান ঘেরা সুকনায়। একেবারে শিলিগুড়ি শহরের উপকণ্ঠে। শিলিগুড়ি ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি (এসআইটি) কলেজে প্রবেশের মুখে। ২৮ জুন ‘ক্যাফে হাউস সুকনা’র উদ্বোধন করেন টেকনো ইন্ডিয়া গ্রুপের ডিরেক্টর দেবদূত রায় চৌধুরি। উপস্থিত ছিলেন শিলিগুড়ি ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজির (এসআইটি) অধ্যক্ষ ড. মিঠুন চক্রবর্তী সহ বিশিষ্টরা। ক্যাফে হাউস দার্জিলিঙের উদ্বোধনের দিন হাজির ছিলেন টেকনো ইন্ডিয়া গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা তথা ম্যানেজিং ডিরেক্টর সত্যম রায়চৌধুরি নিজেই। ছিলেন অভিনেতা সাহেব চট্টোপাধ্যায় থেকে বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।













