দুরন্ত প্রতিবেদন : শিলিগুড়ির এক পাঁচতারা হোটেলে সমবেত হতে চলেছেন দেশ বিদেশের চা-শিল্পপতি থেকে বহুজাতিক সংস্থার গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা। আগামী ১৭ ও ১৮ জানুয়ারিতে মে-ফেয়ার রিসর্টে চা নিয়েই পুরোদস্তুর আলোচনা হবে। মূলত দেশীয় চা-শিল্পের সংকট ও সেখান থেকে উত্তরণের পথ খুঁজতেই দু’দিন ধরে আলোচনা করবেন চায়ের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা উদ্যোগপতিরা। আর সেই চা সম্মেলনেই সিআইআই (কনফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ান ইন্ড্রাস্ট্রি)-এর টি ফোরাম মহারাষ্ট্রের নাগপুর থেকে নিয়ে আসছে ডলি চায়ওয়ালাকে। যিনি ইতিমধ্যে তাঁর স্টাইলিশ পরিবেশনার জন্য ভাইরাল হয়েছেন। তাঁর দোকান থেকে বিল গেটস চা খাওয়ার পর রাতারাতি জনপ্রিয় হয়ে যান সুনীল পাটিল ওরফে ‘ডলি’। এখন ‘ডলি কি টাপরি’ নামে একটি ব্র্যান্ড তৈরি করে তার ফ্র্যাঞ্চাইজি খোলার মাধ্যমে ব্যবসা সম্প্রসারণের চেষ্টা করছেন।
আগামী ১৭ ও ১৮ জানুয়ারিতে মে-ফেয়ার রিসর্টে চা নিয়েই পুরোদস্তুর আলোচনা হবে। মূলত দেশীয় চা-শিল্পের সংকট ও সেখান থেকে উত্তরণের পথ খুঁজতেই দু’দিন ধরে আলোচনা করবেন চায়ের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা উদ্যোগপতিরা।
এই ডলি চায়ওয়ালার পাশেই স্টল রাখা হবে শিলিগুড়ি শহরের ঐতিহ্যবাহী টি স্টল নেতাজি কেবিনের। চা-কে নতুন প্রজন্মের কাছে নতুন করে তুলে ধরার জন্যই এই ভাবনা। নেতাজি কেবিনের কর্ণধার এখন প্রণবেন্দু বাগচী। আসলে এই কেবিনের প্রতিষ্ঠাতা প্রণবেন্দু বাগচীর বাবা মন্টু বাগচী। বাবার হাতে গড়া চায়ের দোকান প্রণবেন্দু দারুণ ভাবে এগিয়ে নিয়ে যান। যার জেরে নেতাজি কেবিন কয়েক দশকে শিলিগুড়ি শহরের ঐতিহ্যবাহী দোকানে পরিণত হয়েছে। এবারে এই টি-শপকে চা শিল্পপতিরা চায়ের প্রচারে ব্যবহার করতে চাইছেন। তাই ১৭ ও ১৮ জানুয়ারি পাঁচতারা হোটেলের টি কনক্লেভে থাকবে শিলিগুড়ি বিধান মার্কেটের নেতাজি কেবিনও।


সিআইআই টি-ফোরামের আহ্বায়ক সতীশ মিত্রুকা জানান,‘আমরা প্রতিটি মানুষের দৈনিক চা পান যেমন বাড়াতে চাইছি, তেমনি তরুণ প্রজন্মকেও চায়ে ফিরিয়ে আনতে চাইছি। তার জন্য ‘আইস-টি’ কিংবা তেমন নতুন ধরনের চা উদ্ভাবন করতে চাইছি। সবটাই টি কনক্লেভে আলোচনা হবে।’ সঞ্জয় টিব্রেওয়াল, রবি আগরওয়াল, প্রবীর শীল, প্রসেনজিৎ সাহা, রূপকুমার চৌধুরি, আনন্দ আগরওয়াল ও ভজন শেটিয়ার মতো উদ্যোগপতিরাও সমস্বরে চায়ের পক্ষে সওয়াল করেন। প্রবীর শীল বহুজাতিক সংস্থার বেঁধে দেওয়া মূল্য ও উৎপাদনকারীর প্রাপ্য মূল্যের তুলনা টেনে অসঙ্গতি তুলে ধরেন। এবং তারও একটা সমাধানের বার্তা দেন। সঞ্জয় টিব্রেওয়াল, রবি আগরওয়াল, প্রবীর শীল, প্রসেনজিৎ সাহা, রূপকুমার চৌধুরিরা জানান, উত্তরবঙ্গের চা শিল্পকে নতুন জীবন দিতে আমরা অক্লান্ত পরিকল্পনা করছি।













