কবিতা অধিকারী, শিলিগুড়ি : বস্তি উন্নয়নে শিলিগুড়ি ১৮ নম্বর ওয়ার্ডে নজরকাড়া কাজ করেছে তৃণমূল পরিচালিত শিলিগুড়ি পুরবোর্ড। ক্ষুদিরাম কলোনীকে ছবির মতো সাজিয়ে তোলা হয়েছে। ঝকঝকে রাস্তা, নিকাশী নালা, প্রতিটি ঘর নতুন, সব বাড়িতে ব্যক্তিগত শৌচাগার, পানীয় জলের ব্যবস্থা, পাশাপাশি গোটা পাড়ার জন্য আবার কমিউনিটি টয়লেটও তৈরি করে দেওয়া হয়েছে। এভাবেই বস্তি হয়েছে ‘উত্তরণ’। যেটা চেয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। ২০২৩ সালের ১২ ডিসেম্বর শিলিগুড়িতে এসে সেই নির্দেশই দিয়েছিলেন তিনি।
এবারে টার্গেট শিলিগুড়ির ৪৬ নম্বর ওয়ার্ড। এই ওয়ার্ডের বস্তি উন্নয়ন থেকে সামগ্রিক উন্নয়নে জোর দেওয়া হয়েছে। ডেপুটি মেয়র রঞ্জন সরকার জানান,‘৪৬ নম্বর ওয়ার্ডের জন্য ইতিমধ্যে বিভিন্ন দপ্তর থেকে আমরা ৫ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছি। রাস্তা, নিকাশী, স্বাস্থ্যকেন্দ্র, শৌচালয়, পার্ক গড়ে ওয়ার্ডের ভোল পাল্টে দিতে চাই।’ ইতিমধ্যে প্রচুর কাজ হয়েছে বিগত আড়াই বছরে। লক্ষ্য, আগামী আড়াই বছরে ৪৬ নম্বর ওয়ার্ডের সমস্ত রাস্তা ঝকঝকে করে স্বাস্থ্যে এগিয়ে দিতে। ৪৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর দিলীপ বর্মন জানান,‘আমাদের ওয়ার্ডের জন্য রেকর্ড কাজ হাতে নেওয়া হয়েছে। প্রচুর রাস্তাঘাট বিগত আড়াই বছরে হয়েছে। আরও হবে। শহরের অন্যতম বড় ওয়ার্ড বলে একাধিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র গড়ে তোলা হচ্ছে। সবুজায়নে বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। মহিষমারি নদীতে বাঁধের কাজ হচ্ছে। সমরনগরে গড়ে তোলা হবে নজরকাড়া পার্ক। আমার ওয়ার্ড ঘেঁষেই চলে গেছে ৩১ নম্বর জাতীয় সড়ক। এই সড়ক সম্প্রসারণের কাজ হলে কমিউনিটি টয়লেটে ভরিয়ে দেওয়া হবে, যাতে মানুষের সমস্যা না হয়।’

কাউন্সিলরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী সত্যজিৎ নগর থেকে পোকাইজোতের পথে ১ কোটি ৭১ লাখের ম্যাস্টিক রোড তৈরি হচ্ছে। কালীমন্দির থেকে ডাঙ্গিবস্তির দিকে ১ কোটি ১৭ লক্ষের বড় রাস্তা তৈরি হবে। নেতাজিনগরে নতুন করে স্বাস্থ্যকেন্দ্র তৈরি হয়েছে। উদ্বোধনের অপেক্ষায়। সত্যজিৎ নগরের পুরনো স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি ঢেলে সাজানো হয়েছে। এছাড়াও নেপালি কল্যাণ স্কুলের কাছে আরও একটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রের কাজ হাতে নেওয়া হয়েছে। এর বাইরেও আরও একটি প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে রাজীবনগরে একটি কমিউনিটি হল তৈরির জন্য। আড়াই বছরেই এত কাজ হওয়ায় কাউন্সিলর জানান, আগামী আড়াই বছরে আমরা ওয়ার্ডকে নতুন রূপ দেব।












