দুরন্ত প্রতিবেদন : ১০ কোটি ৮৪ লক্ষ টাকার ঘাটতি বাজেট পেশ করলেন শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব। শিলিগুড়ি পুরনিগমে ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের জন্য বাজেট বরাদ্দ করেছেন ৬৩৮ কোটি ৪২ লক্ষ টাকা। যদিও বিগত বছর ৬৮৫ কোটি ২৪ লক্ষ টাকার বাজেট পেশ করা হয়েছিল। এবারে বরাদ্দ কমেছে ৪৬.৮২ কোটি টাকার। পাশাপাশি ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের ৪৫৬ কোটি ৯৮ লক্ষ টাকার সংশোধিত বাজেট পেশ করেছেন শুক্রবার। বাজেট পেশ করে মেয়র গৌতম দেব জানিয়েছেন,‘এই বাজেট জনমুখী, মানুষের স্বার্থে, শিলিগুড়িকে একটি নতুন পথ দেখানোর বাজেট।’


কিন্ত শিলিগুড়ি পুরনিগমের বাম পরিষদীয় দলনেতা নুরুল ইসলাম গৌতম দেবের পেশ করা বাজেটকে ‘বাজেট’ বলেই মানতে নারাজ। তিনি জানান,‘এটা বাজেট হয়নি, মমতার পাঁচালী পেশ করা হয়েছে। আর এই বাজেটে সাধারণ মানুষ তো বটেই পুরনিগমের কর্মীদের পর্যন্ত বেতন বৃদ্ধির নামে বোকা বানানো হয়েছে। ফলে এই বাজেট মানুষকে বিভ্রান্ত করার বাজেট, পুরকর্মচারীদের প্রতারণা করার বাজেট, কল্পনাপ্রসূত বাজেট।’
‘এটা বাজেট হয়নি, মমতার পাঁচালী পেশ করা হয়েছে। এই বাজেট মানুষকে বিভ্রান্ত করার বাজেট, পুরকর্মচারীদের প্রতারণা করার বাজেট।’– নুরুল ইসলাম
বামেদের কথায় বিগত ৪ বছর ধরে এই বোর্ড কী করেছে, তার একটা ফিরিস্তি দিয়েছে বাজেট বইয়ে। আর লিখেছে রাজ্য ও কেন্দ্র থেকে কী কী প্রকল্প দেওয়া হয়েছে। এখানো কোথাও নিজেদের ভাবনা, পরিবেশ নিয়ে সঠিক দিশা, শহরকে যানজট মুক্ত করার পরিকল্পনা কিছুই নেই। এরা বিগত বছর যে অর্থ ধরেছিল, তার চার ভাগের এক ভাগ টাকাও খরচ দেখাতে পারেনি। ‘আলোর দিশারী’ নামের কোচিং সেন্টারকে দেখিয়ে শিক্ষার উন্নয়ন বলছে, অথচ শহরের সরকারি স্কুলগুলির কী হাল খোঁজ নিন। সেসব নিয়ে মাথাব্যাথা নেই। আগে শিলিগুড়ি থেকে মাধ্যমিক উচ্চমাধ্যমিকে প্রথম, দ্বিতীয় হত, বিগত ১৫ বছর ধরে সেই কৃতিত্বের দেখা নেই। এরা সব শেষ করে বলছে শিক্ষার উন্নয়ন করছে।’












