দুরন্ত প্রতিবেদন :
উত্তরবঙ্গে যথেষ্ট মানব সম্পদ রয়েছে। কিন্তু তারা দক্ষ নন। যে কারণে এখানকার তরুণদের যেমন কাজের অভাব, তেমনি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মানের সংস্থাগুলি এখানে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে উৎসাহ দেখান না। দক্ষ কর্মীর অভাবের কারণে এই অনুৎসাহ। Daikin Airconditioning India Pvt Ltd তাই শিলিগুড়িতে গড়তে চলেছে সেন্টার অফ এক্সিলেন্স। একটি কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত হয়ে যৌথ ভাবে এই প্রশিক্ষণ কেন্দ্র পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান ডাইকিন ইন্ডিয়ার এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর কুলদীপক ভিরমানি। ইতিমধ্যে এমন একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র কলকাতায় শুরু হয়েছে। রাজস্থানে রীতিমত একটা কলেজের মতো করে এই সেন্টার চালানো হচ্ছে। সেখানে হস্টেলের ব্যবস্থাও আছে। সবই বিনামূল্যে। তবে এখানে ছোট কলেবরেই হবে।
Daikin Airconditioning India Pvt Ltd শিলিগুড়িতে গড়তে চলেছে সেন্টার অফ এক্সিলেন্স। একটি কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত হয়ে যৌথ ভাবে এই প্রশিক্ষণ কেন্দ্র পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান ডাইকিন ইন্ডিয়ার এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর কুলদীপক ভিরমানি।
কেন এমন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র করার বিষয়ে উৎসাহ দেখাচ্ছে ডাইকিনের মতো বিদেশি সংস্থা ! উত্তরটি সহজ। শীততাপনিয়ন্ত্রিত যন্ত্র তৈরির ক্ষেত্রে গোটা পৃথিবীতে নাম রয়েছে ডাইকিনের। ভারতের বাজারেও চুটিয়েব ব্যাবসা করছে ডাইকিন। বিগত আর্থিক বছরে ভারতে ডাইকিন ব্যবসা করেছে ১০৫০০ কোটি টাকার। পূর্ব ভারতে এই ব্যবসার পরিমাণ ১২০০ কোটি টাকা। এর মধ্যে পশ্চিমবঙ্গে ব্যবসা করেছে ৭১০ কোটি টাকার। যেটা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। পূর্বভারতের ঝাড়খন্ড, বিহার, উড়িষ্যা, হরিয়ানা, অসম মিলিয়ে যেখানে ব্যবসা ১২০০ কোটি, সেখানে এই বঙ্গেই ব্যবসার পরিমাণ ৭১০ কোটি। এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর থেকে ডাইকিনের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর সোগো অ্যান্ডো জানান, পরিবেশ ও ক্রয়ক্ষমতার ওপর ব্যবসা নির্ভর করে। বাংলায় উভয়ই ইতিবাচক। ফলে এখানে ব্যবসার সম্ভাবনা আরও বেশি। আর এই সম্ভাবনার কথা মাথায় রেখেই উত্তর-পূর্ব ভারতেরল বাজার ধরতে শিলিগুড়িতে নতুন অফিস ও শো-রুম খুলছে ডাইকিন। কিন্তু এখানে এয়ারকন্ডিশনের বাজার তৈরি করতে গেলে দক্ষ কর্মীও প্রয়োজন। সেই কর্মী তৈরি করে নেওয়ার কাজও শিলিগুড়িতেই করতে চাইছে ডাইকিন। এতে করে শিলিগুড়িতে কাজের ক্ষেত্র বৃদ্ধি হবে বলেই মনে করা হচ্ছে।












