দুরন্ত প্রতিবেদন : ২০১৮ সালে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন আসিফ সুলতান। তিনি ছিলেন ‘কাশ্মীর ন্যারেটর’ মাসিক পত্রিকার সাংবাদিক। ২০২২ সালে জামিন পেলেও তাঁকে জম্মু-কাশ্মীরের জননিরাপত্তা আইনের বলে আটক রাখা হয়েছিল। এতদিন পর হাইকোর্টের নির্দেশে তিনি মুক্তি পেলেন।
২০১৮ সালের জুলাই মাস নাগাদ ‘কাশ্মীর ন্যারেটর’ পত্রিকায় আসিফ একটি প্রতিবেদন লেখেন নিহত জঙ্গি বুরহান ওয়ানিকে নিয়ে। সেই প্রতিবেদনে কাউন্টার বক্তব্য হিসেবে হিজবুল মুজাহিদিনের সদস্যদের বক্তব্যও তুলে ধরা হয়েছিল।
আসিফ সুলতানকে গ্রেপ্তার করার কাহিনীও বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। ২০১৮ সালের জুলাই মাস নাগাদ ‘কাশ্মীর ন্যারেটর’ পত্রিকায় আসিফ একটি প্রতিবেদন লেখেন নিহত জঙ্গি বুরহান ওয়ানিকে নিয়ে। সেই প্রতিবেদনে কাউন্টার বক্তব্য হিসেবে হিজবুল মুজাহিদিনের সদস্যদের বক্তব্যও তুলে ধরা হয়েছিল। এরপরেই আসিফের ওপর চাপ সৃষ্টি হয়। আসিফের এক ভাই অভিযোগ করে জানান, আসিফ হিজবুলের বক্তব্য কীভাবে পেলেন সেটা ফাঁস করতে হবে। সেটা না করায় তাঁকে ইউএপিএ এবং কাশ্মীরে সেইসময় চালু থাকা রণবীর দণ্ডবিধিতে গ্রেপ্তার করা হয়। কিন্তু জঙ্গিযোগের প্রমাণ না মেলায় শ্রীনগর আদালত আসিফকে জামিন দেয় ২০২২ সালে। এরপরেও আসিফকে পুনরায় আটক করে আগরা জেলে নিয়ে যাওয়া হয়। পরবর্তীতে হাই কোর্টে মুক্তির আবেদনের পর এতদিনে মুক্তি মেলে। বিচারপতি বিনোদ চট্টোপাধ্যায় কল ডিসেম্বর মাসেই আসিফকে মুক্তি দিয়েছিলেন। এরপর নিয়ম প্রক্রিয়া শেষ করে এতদিনে আসিফ ঘরে ফিরছেন।












