বাংলার উত্তরভাগে ‘এডুকেশন হাব’ গড়ে তুলতে এবং শিক্ষায়, কৃষ্টিতে, সংস্কৃতিতে যাতে উত্তরবঙ্গ ভারতের অন্যতম উৎকর্ষ কেন্দ্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে পারে, সেই লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত হল ‘নর্থ বেঙ্গল এডুকেশন সামিট-২০২৩’। যেখানে উত্তরবঙ্গ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. দেবব্রত বসু, দক্ষিণ দিনাজপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. দেবব্রত মিত্র, রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. দীপক কুমার রায়, উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ামক ড. দেবাশিস দত্ত, উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজের ডিন ড. সন্দীপ সেনগুপ্ত সহ বিভিন্ন বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কর্ণধাররা। ভার্চুয়াল আলোচনায় যোগ দিয়েছিলেন ভারত সরকারের সিবিএসই (স্কিল এডুকেশন) অধিকর্তা ড. বিশ্বজিৎ সাহা। শিলিগুড়ি বিজ্ঞান কেন্দ্রের সভাকক্ষে আয়োজিত এই শিক্ষা সম্মেলনে মূলত উত্তরবঙ্গকে দেশের শিক্ষার মানচিত্রে কীভাবে একটা গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় বসানো যায়, কীভাবে এখানে আরও বড় বড় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ার ক্ষেত্রে বিনিয়োগ আনা যায়, এখন যে প্রতিষ্ঠানগুলি রয়েছে, সেসবের মান কীভাবে উন্নত করা যায় এবং কীভাবে নতুন নতুন উদ্যোক্তা তৈরি করা যায়, সেই সমস্ত বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। আয়োজক ছিল পলিসি টাইমস চেম্বার অব কমার্স। পলিসি টাইমসের সম্পাদক আক্রাম হক জানান,‘প্রকৃতিগত ভাবেই উত্তরবঙ্গে বহুবিধ সম্ভাবনা রয়েছে। ভৌগলিক দিক থেকে এখানে যেমন মেডিক্যাল হাব গড়ার উপযুক্ত জায়গা, তেমনি শিক্ষা হাবের জন্যও আদর্শ অঞ্চল এটি। সেই সম্ভাবনার জায়গাটিকেই বাস্তবায়িত করার জন্য একটা উদ্যোগ এই সম্মেলন। আশা করছি এই সম্মেলনের পর সকলের প্রস্তাবের ভিত্তিতে তৈরি রোডম্যাপ অনুসরণ করে পরিকল্পনাগুলি বাস্তবায়িত হবে।’ এদিনের আলোচনায় প্রায় প্রত্যেক উপাচার্য, ডিনদের গলায় সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবনমনের কথা উঠে এল। পাশাপাশি উঠে এল দেশ সেরার স্বীকৃতি পাওয়া মুরলীগঞ্জ স্কুলের কথাও। একই এলাকার সরকারি স্কুল যেমন বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, তেমনি পাশের আরেকটি স্কুল ইংরেজি মাধ্যম স্কুলকে টেক্কা দিচ্ছে। এই সব উদাহরণের মধ্যে থেকেই উত্তর খোঁজার চেষ্টা হল। উপাচার্য ড. দীপক রায় পিছিয়ে পড়া উত্তরবঙ্গের জন্য এখানকার নেতৃত্বের অভাবকে দায়ী করলেন। তিনি অকপটে জানান, যোগ্য নেতার অভাবে সঠিক জায়গায় এখানকার দাবি উত্থাপিত হচ্ছে না, বরং ভুল বার্তা যাচ্ছে বেশি। স্বাধীনতার ৭৫ বছর পর আজও কেন উত্তরবঙ্গে একটা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় হল না , তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। এখনও অনেক উপজাতি মাতৃভাষায় পড়ার সুযোগ পায় না। অন্যদিকে কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মমুখী কোর্স চালুর প্রস্তাব যেমন আসে, পাশাপাশি শুধুই চাকরির জন্য লেখাপড়ার বিরোধিতাও হয়। সব মিলিয়ে দুর্দান্ত একটা আলোচনা হল শিক্ষা সম্মেলনে।
এই ক্যাটাগরির আরও খবর

SIR-এ ‘বিচারাধীন’ বিশ্বজয়ী রিচা ঘোষ থেকে বাংলার মন্ত্রী

একমঞ্চে তিন ‘মেয়র’, সৌজন্যে মিত্র সম্মিলনী

শিলিগুড়ির প্রার্থী কারা ? রঞ্জন শীলশর্মাও প্রার্থী !

আয় বাড়িয়ে রেকর্ড মানিকের

শিলিগুড়ির বাজেটকে ‘মমতার পাঁচালী’ বলে কটাক্ষ নুরুলের

ফুলমেলার আজ শেষদিন, ছাদবাগানে সেরা রেণু

শিলিগুড়ির চাষিদের অর্কিডের স্বপ্ন দেখাচ্ছে উদ্যানপালন দপ্তর

বাগডোগরার সভায় বিজেপি-শূন্য শিলিগুড়ি গড়ার ডাক

বেলাগাম কুৎসা সুকান্তের, মামলার হুমকি অরুণের



