দুরন্ত প্রতিবেদন : শিলিগুড়ি মহকুমা ও লাগোয়া ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী কারা ? এই মুহূর্তে যে সম্ভাব্য তালিকার কথা জানা যাচ্ছে, তাতে রয়েছেন গৌতম দেব, শংকর মালাকার, রোমা রেশমী এক্কা ও রঞ্জন শীলশর্মা। শিলিগুড়ি বিধানসভা আসনে মেয়র গৌতম দেব। যা প্রায় প্রথম থেকেই নির্ধারিত। ফাঁসিদেওয়া বিধানসভা আসনের জন্য মুখ্যমন্ত্রীর নজরে রয়েছেন রোমা রেশমী এক্কা। মাটিগাড়া-নকশালবাড়ি আসনে শংকর মালাকার।



দার্জিলিং জেলা কংগ্রেস সভাপতির পদ ছেড়ে যেদিন শংকর মালাকার তৃণমূলে যোগ দিলেন, সেদিন থেকেই নিশ্চিত ছিল এই লড়াইয়ের কথা। তবে শিলিগুড়ি ঘেঁষা ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ির প্রার্থী কে, তা নিয়ে জল্পনা চলছিল প্রথম থেকেই। ওই আসনে প্রথম থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে আসছিলেন গৌতম দেব। এবারেও প্রথমে তাঁর কথাই ভাবা হচ্ছিল। কিন্তু যিনি শিলিগুড়ি শহরের মেয়র পদে ৪ বছর আছেন, তিনি যদি সেই এলাকা ছেড়ে অন্যত্র লড়তে যান, তবে স্বাভাবিকভাবেই তিনি অনেক প্রশ্নের মুখে পড়বেন। অন্যদিকে মেয়রের পাশাপাশি গৌতম দেব যদি জয়ী হয়ে মন্ত্রীত্ব পান, তবে শিলিগুড়ির জোড়াপ্রাপ্তি যেমন হবে, পাশাপাশি শিলিগুড়ির মানুষের সেই অর্থে কোনও প্রশ্ন থাকার অবকাশ থাকবে না। তাই ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি থেকে গৌতম দেবকে বাদ দিয়েই রাখা হচ্ছে বলে বিশ্বস্ত সূত্রের খবর। পরিবর্তে ওই কেন্দ্রে শিলিগুড়ির ডেপুটি মেয়র রঞ্জন সরকারের নাম নিয়ে চর্চা চলছিল বেশ কিছুদিন থেকে। রঞ্জন সরকার সেখানকার অনেক কর্মসূচিতে উপস্থিতও হচ্ছিলেন। ফলে জল্পনা স্বাভাবিক ভাবেই হচ্ছিল। তবে রঞ্জন সরকারকে নিয়ে তেমন সাড়া লক্ষ্য করা যায়নি এতদিনে। মনে করা হচ্ছে, এরপরই সেই জায়গা থেকে রঞ্জন শীলশর্মার কথা ভাবা হয়। রঞ্জন শীলশর্মা যেমন ঢঙে রাজনীতি করেন, সেটাই ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ির জন্য সঠিক বলেই মনে করছেন অনেকে। একেবারে বস্তির মানুষের সঙ্গে মেশা এবং তাঁদের চাহিদা বুঝে কাজ করার অভীজ্ঞতা যে রঞ্জন শীলশর্মার আছে, সেটা নিঃসন্দেহে বলা যায়। আবার বিজেপি বিধায়ক শিখা চ্যাটার্জির সঙ্গে লড়াই করে ভোটের ব্যবধান অনেকটা কমিয়ে আনার বিষয়ে আগাগোড়াই রঞ্জন আত্মবিশ্বাসী। সেই জায়গা থেকে দল রঞ্জন শীলশর্মাকে টিকিট দিতেও পারেন।


বিষয়টি নিয়ে দার্জিলিং জেলা তৃণমূলের চেয়ারম্যান সঞ্জয় টিব্রেওয়াল কোনও মন্তব্য করতে রাজি হননি। বলেন, তালিকা তৈরি হলে মুখ্যমন্ত্রী নিজেই ঘোষণা করবেন।












