দুরন্ত প্রতিবেদন : ১২তম শিলিগুড়ি শর্ট ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে গোল্ডেন এলিফ্যান্ট ট্রফি ছিনিয়ে নিল পীযুষ ঠাকুর পরিচালিত ‘দ্য ফার্স্ট ফিল্ম’। টানা ৩ দিন ধরে শিলিগুড়ি কাঞ্চনজঙ্ঘা লজের মিনি প্রেক্ষাগৃহে মোট ১২টি স্বল্প দৈর্ঘ্যের ছবি প্রদর্শিত হয়। দেশ বিদেশের বিভিন্ন প্রান্তে থাকা ৬ জন চলচ্চিত্র বিশেষজ্ঞকে নিয়ে তৈরি করা হয়েছিল জুড়িবোর্ড। সেই জুড়ির সিদ্ধান্ত অনুযায়ীই রবিবার সন্ধ্যায় পুরস্কার ঘোষণা করেন শিলিগুড়ি সিনে সোসাইটির সম্পাদক প্রদীপ নাগ। সিলভার এলিফ্যান্ট পুরস্কার জিতেছে তথাগত ঘোষ পরিচালিত ‘মাই কমরেড’। ব্রোঞ্জ এলিফ্যান্ট পুরস্কার জিতেছে প্রতীক রাজেন্দ্র শ্রীবাস্তব পরিচালিক ‘মাই ফাদার ইস অ্যাফ্রেইড অফ ওয়াটার’। বেস্ট সিনেমাটোগ্রাফারের পুরস্কার পেয়েছে পরশমণি বোরা তাঁর ‘মোহিনী’ সিনেমাটির জন্য। দর্শক পছন্দের সেরা ছবি হিসেবে পুরষ্কৃত ‘অশ্রুথা’। ছবিটির পরিচালক ঋদ্ধিমান ভট্টাচার্য।

চেয়ারম্যান চয়েসে পুরস্কার পেয়েছে রগু আরভ পরিচালিত ‘হিন্ডে গালি মুন্ডে মাথা’। রবিবার শর্ট ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের অন্তিম দিনে উপস্থিত দর্শকরাও খোলা মনে সিনেমার পর্যালোচনা থেকে আগামী উৎসবে নিয়ে নানা পরামর্শ দেন। এদিনই ঘোষণা করা হয়, খুব দ্রুত তাঁরা আন্তর্জাতিক ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের আয়োজন করতে চলেছে।
তবে এবারের ১২তম শর্ট ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে উত্তরবঙ্গের পরিচালকদের তৈরি ছবি ছিল না। যা নিয়ে খোদ সিনে সোসাইটির সভাপতি ড. সঞ্জীবন দত্তরায় আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন। জানিয়েছেন,‘উত্তরবঙ্গের নতুন প্রজন্ম ক্যামেরা নিয়ে এখন হইহই করে বেড়ায়। অনেক ছবি তৈরি করছে বলেও খবর পাচ্ছি। তারপরেও দেখছি ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে তাঁদের অংশগ্রহন নেই। এটি সত্যিই দুর্ভাগ্যের।’ শিলিগুড়ি সিনে সোসাইটির সুব্রত কর জানান,‘কোথাও একটা সংকট আছে। যে কারণে উত্তরবঙ্গের নতুন পরিচালকদের হাত ধরে তৈরি ছবি আমরা উৎসবে পাচ্ছি না। সেই সমস্যা ও সংকট খুঁজে বের করে সমাধান করতে হবে। আমরা সেই কাজেই এগোব।










