দুরন্ত প্রতিবেদন: প্রায় ১২ বছর পর বিশ্বকাপ ক্রিকেটের ফাইনালে উঠল ভারত। ১২ বছর আগে যে মাঠে ট্রফি জিতেছিল ভারতীয় দল, সেই মাঠেই নিউজিল্যান্ডকে ৭০ রানে হারিয়ে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেছে রোহিত শর্মার দল। পাড়ি দিচ্ছে আমেদাবাদে। আগামী রবিবার খেলা। এখনও প্রতিপক্ষ নির্ধারণ হয়নি। এদিন বৃহস্পতিবারে সেটাও জানা হয়ে যাবে। তারপরেই আসমুদ্রহিমাচল ফাইনাল ক্রিকেট যুদ্ধের অপেক্ষায় থাকবে।
বুধবারের সেমি ফাইনালে আগে ব্যাট করে ভারত ৩৯৭ রানের পাহাড় তৈরি করে ওয়াংখেড় স্টেডিয়ামে। উইকেট হারায় মাত্র ৪টি। জবাবে ৪৮.৫ ওভারে ৩২৭ রানেই নিউজিল্যান্ডের ইনিংস শেষ করে চতুর্থবারের জন্য ক্রিকেট বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠল ভারত। এর আগে ১৯৮৩ এবং ২০১১ সালে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয় ভারত। ২০০৩ সালের বিশ্বকাপে সৌরভ গাঙ্গুলির নেতৃত্বে রানার্স আপ হয়। চারবার সেমিফাইনাল থেকে খালি হাতে ফিরতে হয়েছে ভারতীয় দলকে। ১৯৮৭, ১৯৯৬, ২০১৫ এবং ২০১৯ সালে। ২০২৩ সালের বিশ্বকাপের সেমি ফাইনালে জয়ী হওয়াই শুধু নয়, এই ম্যাচে ভারতীয় দলের ক্রিকেটাররা কার্যত একেকটি ইতিহাস তৈরি করেছে।

এদিন ক্রিকেটের ঈশ্বর শচীনের তেন্ডুলকরের রেকর্ড ভেঙে নতজানু হয়ে পড়েন বিরাট কোহলি। কলকাতায় নিজের ৩৫তম জন্মদিনে ৪৯তম শতরান করেছিলেন। আর ওয়াংখেড়ে ১০৬ বলে একদিনের ক্রিকেটে ৫০তম শত রান করে শচীনের রেকর্ড ভাঙেন। অন্যদিকে দুর্ধর্ষ বোলিং করে শামি একাই ৭ উইকেট নেন। ভারতীয় বোলার হিসেবে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি ছিলেনই। এদিন আরও একাধিক রেকর্ডের মালিক হলেন। সেমি ফাইনালের ম্যাচে সেরার পুরস্কারও পেলেন মহম্মদ শামিই। ম্যাচের সেরা হবার যোগ্যতা ছিল বিরাট কোহলি ও শ্রেয়স আয়ারেরও। তবে শামি না থাকলে কোহলি, শ্রেয়সের কৃতিত্বের মূল্য থাকত না। তাই শামিই সেরার ট্রফি পান। অথচ অবাক করা কথা হল এই বোলারকেই বিশ্বকাপের প্রথম চারটি ম্যাচে বসিয়ে রাখা হয়েছিল। তিনিই আবার সেমিফাইনালে সাত উইকেট নিয়ে কার্যত আরেক রূপকথার জন্ম দিলেন।










